,

পাড়া-মহল্লায় জমে উঠেছে ইফতার বাজার

news-image

রমজান মাস এলেই মুসলমানদের জীবনে এক অনন্য আমেজ তৈরি হয়। সারা দিন রোজা রেখে সন্ধ্যায় ইফতার করার আনন্দই আলাদা। এই উপলক্ষে রোজার প্রথম দিন থেকেই রাজধানীর পাড়া-মহল্লার ইফতার কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে এক ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। এছাড়া ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত মার্কেটগুলোর সামনে পর্যন্ত বসেছে বাহারি ইফতার সামগ্রীর দোকান। কর্মজীবী মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ রোজাদার— সবাই এসব দোকানে ভিড় করছেন পছন্দের খাবার কিনতে।

বাহারি ইফতার সামগ্রী

5গলির মধ্যে ইফতারির বাজার। 

রাজধানীর চকবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বড় ইফতারের বাজার বসলেও এলাকা ভিত্তিক নানা স্থায়ী ও অস্থায়ী ইফতারের বাহারি পদ নিয়ে দোকান বসানো হয়। ইফতারের আইটেমগুলোর মধ্যে রয়েছে— তেলেভাজা পরিচিত আইটেমের পেঁয়াজু, বেগুনি, চপ, সামোসা, আলুর চপ, মুড়ি-মুড়কি, ছোলা ও বিভিন্ন ধরনের পাকোড়া। পাশাপাশি হালিম, কাবাব, নান রুটি, পরোটা, রোল, চিকেন ফ্রাই, জিলাপি, দই-বুন্দিয়া, মিষ্টি, ফালুদাসহ নানা আইটেম পাওয়া যাচ্ছে। খেজুর, ফলমূল ও শরবতেরও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা।

4ইফতার সামগ্রী। ছবি: সাজ্জাদ হোসেন

বিশেষ করে বড় এলাকায় ফিউশন ইফতার আইটেমের আধিক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চিকেন উইংস, গ্রিল চিকেন, তন্দুরি, চিজ রোল, স্পেশাল চাইনিজ খাবারসহ ভিন্নধর্মী আইটেমও বিক্রি হচ্ছে বেশ ভালোভাবে।

কেনা ইফতারই ভরসা

বেশিরভাগ মানুষ বাসায় তৈরি ইফতারকেই প্রাধান্য দেয়। তবে কর্মজীবী মানুষেরা বিশেষত ব্যাচেলর বা ছোট পরিবারে থাকা ব্যক্তিরা বাজার থেকে ইফতার কিনতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কেউ কেউ বাসার ইফতারে সঙ্গে বাহির থেকে বিশেষ কোনও খাবার নিয়ে যান।

1চকবাজারে জমে উঠেছে ইফতারের বাজার। 

শুক্রাবাদ এলাকার বাসিন্দা আলাওউদ্দিন বলেন, বাসায় বানানো খাবারই বেশি খাই, তবে মাঝে মাঝে জিলাপি বা হালিমের জন্য আসি।

স্ত্রী ও এক সন্তানের ছোট পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন হাসিফ আহমেদ। ঘরে ইফতার বানানো খরচ ও ঝামেলা মনে করেন বলে বাহির থেকে কিনে নিয়ে যান বলে জানান। তিনি বলেন, ইফতার বানানোর সব জিনিসপত্রের দাম অনেক। বানাতেও তেল অনেক খরচ হয়। ছোট পরিবার ঈদের ১০ দিন আগেই ফ্যামিলি গ্রামে চলে যায়। সব মিলিয়ে হিসাব করলে দৈনিক অল্প করে কিনে নিয়ে গেলেই ভালো হয়।

3ইফতার কিনতে ব্যস্ত মানুষ।

ইফতারের জন্য এলাকার দোকানর ওপর নির্ভর করতে হয় জানিয়ে ব্যাচেলর বাসায় ভাড়া থাকা মনির হোসেন বলেন, ‘আমাদের তো বানানোর লোক নাই। তাই প্রত্যেকদিন মেসের কারও না কারও দ্বায়িত্ব পরে ইফতার নিয়ে যাওয়ার। তাই আসা।’

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড