,

সাবস্ক্রিপশন কিনেও খেলা দেখলেন না দর্শকরা

news-image
আল আমিন

ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ ঘিরে প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন টফি, বায়স্কোপ ও আইস্ক্রিনের গ্রাহকরা। অর্থ পরিশোধ করে সাবস্ক্রিপশন নেওয়ার পরও অনেক দর্শক নিরবচ্ছিন্নভাবে খেলা দেখতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে টফি বিশেষ অফারের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে সব ম্যাচ দেখার সুযোগের ঘোষণা দিয়েছিল। সেই প্রচারণায় সাড়া দিয়ে অসংখ্য দর্শক সাবস্ক্রিপশন কেনেন। তবে প্রথম ম্যাচ শুরু হতেই অ্যাপ ক্র্যাশ, বাফারিং এবং সার্ভারজনিত সমস্যার কারণে লাইভ সম্প্রচার দেখতে ব্যর্থ হন অনেক ব্যবহারকারী।

ঘটনার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্রাহকদের অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই অভিযোগ করেন, অর্থ গ্রহণের ক্ষেত্রে দ্রুততা থাকলেও সেবার মান নিশ্চিত করতে প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যর্থ হয়েছে। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে বিকল্প অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করে খেলা দেখেছেন বলেও জানান।

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আল শাহরিয়ার বলেন, বৈধভাবে খেলা উপভোগের উদ্দেশ্যে তিনি সাবস্ক্রিপশন কিনেছিলেন। কিন্তু প্রতিশ্রুত সেবা না পাওয়ায় নিজেকে প্রতারিত মনে হয়েছে। পরে বিকল্প লিংকের মাধ্যমে খেলা দেখতে হয়েছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে অর্থ ফেরতের দাবি করেন।

এ ঘটনায় এক বিবৃতিতে টফি জানায়, ডিজিটাল সম্প্রচার ফিড সংক্রান্ত জটিলতার কারণে লাইভ সম্প্রচারে বিঘ্ন ঘটেছে। সমস্যার সমাধানে সম্প্রচার স্বত্বাধিকারী বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে বলেও জানায় প্রতিষ্ঠানটি। দর্শকদের ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আশ্বাস দেওয়া হয়।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় ধরনের আন্তর্জাতিক আয়োজনের আগে সার্ভারের সক্ষমতা পর্যাপ্তভাবে যাচাই না করায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক দর্শকের চাপ সামাল দেওয়ার মতো প্রস্তুতি ছিল না বলেই সম্প্রচার ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

আরেক গ্রাহক শাওন সরকার বলেন, অর্থ পরিশোধ করার পরও খেলা দেখতে না পারায় তিনি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবছেন। তার অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে বাফারিং ও প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে দর্শকদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। গ্রাহকদের সময় ও অর্থের মূল্য বিবেচনায় ক্ষতিপূরণের বিষয়টিও সামনে আসা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

শুধু টফি নয়, বায়স্কোপ প্লাস ও আইস্ক্রিনের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে। ব্যবহারকারীদের দাবি, সার্ভার জটিলতা ও সম্প্রচার বিঘ্নের কারণে তারা কাঙ্ক্ষিত অভিজ্ঞতা পাননি। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা দেশের ওটিটি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। দর্শকের আস্থা অর্জনে প্রচারণার পাশাপাশি নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড