,

ইতিকাফে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন হয়: মাওলানা আবদুল গাফফার

news-image

‘পবিত্রতা অর্জনের জন্যই রোজা ও ইতিকাফ। পরিচ্ছন্নতা এবং জীবনকে শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসাই এর উদ্দেশ্য। আত্মশুদ্ধি লাভ করে মানুষ যেন উন্নততর মহত্তর চারিত্রিক গুণাবলির অধিকারী হতে পারে, সংযমের অভ্যাস করে মহান রাব্বুল আলামিনের বিধি-নিষেধ পালনে অভ্যস্ত হয়ে আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য ও সন্তুষ্টি অর্জনে সক্ষম হতে পারে, সে জন্যই রোজা ও ইতিকাফের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’ দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের সাথে আলাপকালে এভাবেই বলছিলেন ধর্মীয় লেখক ও টিভি আলোচক মাওলানা আবদুল গাফফার।

মাওলানা আবদুল গাফফার বলেন, একজন মুমিনের জন্য এর চেয়ে বড় সৌভাগ্য আর কী হতে পারে যে, এই পবিত্র রমজানে সিয়াম সাধনা ও ইতিকাফের মাধ্যমে সে লাভ করবে নতুন ইমান, নতুন প্রাণ, অফুরন্ত কল্যাণ। লাভ করতে পারবে হাজার রজনীর চেয়ে উত্তম রজনী লাইলাতুল কদর। ইতিকাফ অবস্থায় চুপ থাকলে সওয়াব হয় এই মনে করে চুপ থাকা মাকরূহে তাহরীমী। বিনা জরুরতে দুনিয়াবী কাজে লিপ্ত হওয়া মাকরূহ তাহরীমী। যেমন, ক্রয়-বিক্রয় করা ইত্যাদি। তবে নেহায়েত জরুরত হলে যেমন ঘরে খোরাকি নেই এবং সে ব্যতীত কোন বিশ্বস্ত লোকও নেই এরূপ অবস্থায় মসজিদে মাল-পত্র উপস্থিত না করে কেনা বেচার চুক্তি করতে পারে।

তিনি বলেন, ইতিকাফ আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে, কোনো স্থানে কিংবা কোনো গৃহে অবস্থান করা। আর শরীয়তের পরিভাষায় আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দুনিয়ার সংশ্রব, বন্ধন, সম্বন্ধ ও পরিবার-পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কেবল আল্লাহর জন্য মসজিদে অবস্থান করে ইবাদত করাকে ইতিকাফ বলে।
হজরত আয়িশা (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, ইতিকাফকারীর জন্য এ নিয়ম পালন করা জরুরি। ১. সে যেন কোনো রোগী দেখতে না যায়। ২. কোনো জানাযায় শারীক না হয়। ৩. স্ত্রী সহবাস না করে। ৪. স্ত্রীর সাথে ঘেঁষাঘেষি না করে। ৫. প্রয়োজন ছাড়া কোন কাজে বের না হয়। ৬. সওম ছাড়া ইতিকাফ না করে এবং ৭. জামে মাসজিদ ছাড়া যেন অন্য কোথাও ইতিকাফে না বসে। মিশকাত: ২১০৬)

রমজানে ইতিকাফকারীদের ২০ রমজানের সূর্যাস্তের আগে মসজিদের সীমানায় প্রবেশ করতে হবে। শেষ ১০ দিনের ইতিকাফ সুন্নাতে মুআক্কাদা কিফায়া। অর্থাৎ মহল্লার যেকোনো একজন ইতিকাফ করলে পুরো মহল্লাবাসীর পক্ষ থেকে ইতিকাফ আদায় হয়ে যাবে। কিন্তু মহল্লার একজন ব্যক্তিও যদি ইতিকাফ না করে তবে মহল্লার সবার সুন্নাত পরিত্যাগের গোনাহ হবে। ইতিকাফ অবস্থায় স্ত্রী সহবাস, চুম্বন, স্পর্শ নিষেধ। আল্লাহ তায়ালা বলেন, তোমরা মসজিদে ইতিকাফরত অবস্থায় স্ত্রীদের সাথে মিলিত হবে না। (সুরা বাকারা:১৮৭)। শরীরের কিছু অংশ যদি মসজিদ থেকে বের করা হয় তাতে দোষ নেই। নবী করিম (সা.) ইতিকাফ অবস্থায় নিজ মাথা মসজিদ থেকে বের করতেন। তখন আম্মাজান আয়েশা (রা.) তাঁর মাথার চুল বিন্যস্ত করে দিতেন। (বোখারি: ২৯২)
আর নারীরাও চাইলে ঘরে কোনো স্থান নির্দিষ্ট করে ইতিকাফ করতে পারে। তবে তার জন্য স্বামীর অনুমতি থাকা আবশ্যক।

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর