সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বজিৎ হত্যা: চার আসামির খালাস স্থগিত চেয়ে আবেদন

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : বহুল আলোচিত পুরান ঢাকার দর্জি ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় খালাস পাওয়া চার আসামির রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

সোমবার রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করে। এ বিষয়ে আজ শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

খালাস পাওয়া চার আসামি হলেন, সাইফুল ইসলাম, কাইয়ুম মিঞা, গোলাম মোস্তফা ও এ এইচ এম কিবরিয়া।

এর মধ্যে সাইফুল ও কাইয়ুম বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড দেন। এছাড়া মোস্তফা ও কিবরিয়ার বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন দণ্ড হলেও হাইকোর্ট তাদের খালাস দেন। এই চারজনের খালাসের দণ্ড স্থগিত করতে আজ আবেদন করা হয়।

গত ৩১ অক্টোবর বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় দু’জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্টের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর স্বাক্ষরের পর ৮০ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়।

এর আগে ৬ আগস্ট বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আট আসামির মধ্যে দু’জনের মৃত্যুদণ্ড এবং অপর দু’জনকে খালাস দেওয়া হয়। এ ছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ১৩ আসামির মধ্যে যে দু’জন আপিল করেছিলেন, তারা খালাস পেয়েছেন। অপর ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, পুলিশের তদন্তে গাফিলতি ও সুরতহাল রিপোর্টের বিরুদ্ধে বিশ্বজিতের ভাই তার সাক্ষ্যে আঘাতের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে আঘাতের দৃশ্যগুলো দেখেছি। কিন্তু এমন একটি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন ও সুরতহাল রিপোর্টের কোনো মিল পাওয়া যায়নি। এ হত্যা মামলায় তদন্তে গাফিলতি থাকার অভিযোগে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জাহিদুল হক ও সুরতহাল প্রতিবেদক প্রস্তুতকারী সলিমুল্লাহ মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগের ডা. মাকসুদুলের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। রায়ে পুলিশের কমিশনার ও স্বাস্থ্য সচিবকে এই আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। রাজনৈতিক হাঙ্গামার নামে একজন নিরস্ত্র এবং নিরীহ ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনাটি রাজনৈতিক নেতাদের জন্য অশনিসংকেত বলে উল্লেখ করেন।

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগ ক্যাডাররা নির্মমভাবে খুন করেন বিশ্বজিৎ দাসকে। পরে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। রায়ে আটজনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্ত ২১ আসামির মধ্যে আটজন কারাগারে ও বাকিরা পলাতক। পরে বিধি অনুসারে ওই রায় কার্যকরে হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। অন্যদিকে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষও হাইকোর্টে আপিল করে। এরই ধারাবাহিকতায় ৬ আগস্ট সংক্ষিপ্ত রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

এ জাতীয় আরও খবর

আমড়া খাওয়ার এই উপকারিতাগুলো জানতেন?

কাহানি থ্রি-তে বিদ্যা বালান নয়, মূল চরিত্রে ইয়ামি গৌতম

২০২৬-২৭ অর্থবছর: রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরকার পর্যালোচনা করছে : আইনমন্ত্রী

যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ২০

কলকাতার ‘পাখি’ এবার ঢাকাই সিনেমার ‘চামেলি’

সৌদিতে এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার

স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও

সাত মাসের মেয়েকে হত্যার মামলায় বাবার ৩ দিনের রিমান্ড

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৫৮

রেমিট্যান্সে বড় গতি, ২৫ দিনে এলো ২৮ হাজার কোটি টাকা