,

তীব্র যানজট, হেঁটে গন্তব্যে ছুটছেন যাত্রীরা

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর জিরো পয়েন্টে কোটাবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচির কারণে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অবরোধে গুলিস্তানসহ আশপাশের সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন গণপরিবহনে চলাচলকালী যাত্রীরা। দীর্ঘসময় যান চলাচল না করায় হেঁটে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে তাদের।

রোববার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে ওই এলাকায় গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।

ষাটোর্ধ্ব আব্দুল আলিম নারায়ণগঞ্জে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গুলিস্তান স্টেডিয়াম মার্কেটের সামনে আসেন। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে কাটেন বাসের টিকিট। বাসেও ওঠেন তিনি। কিন্তু সড়ক বন্ধ থাকায় বাসেই এক ঘণ্টা বসে থাকেন তিনি।

আব্দুল আলিমের মতো শত শত এমন যাত্রী বাসে উঠেও যেতে পারেন না। অনেককেই বাস, সিএনজি কিংবা রিকশা থেকে নেমে হেঁটে স্বল্প দূরত্বে রওনা হতে দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর মৎস ভবন, পল্টন, গুলিস্তান, সদরঘাট রোড, মতিঝিলসহ আশপাশের এলাকা অবরোধের কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে। বাস, সিএনজি, প্রাইভেটকার থেকে নেমে যাত্রীদের হেঁটেই গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

ডেমরা যাওয়ার জন্য শাহেদ সেলিম নামের একজন গুলিস্তানে আসেন। কিন্তু বাস বন্ধ থাকায় তাকে ফিরে যেতে দেখা যায়। এ সময় কথা হয় শাহেদ সেলিমের সঙ্গে। তিনি বলেন, এভাবে রাস্তা বন্ধ করে আমাদের যেতে না দেওয়ার কোনো মানে হয় না।

ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধের কারণে রাজধানীর বেশ কয়েকটি সড়কে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। তাদের সড়ক অবরোধ তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পুলিশ ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে।

এদিকে দুপুর আড়াইটার পর রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের গণপদযাত্রা জিরো পয়েন্টে আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশের বাধায় সেখানে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। তবে ব্যারিকেড ভেঙে বঙ্গভবনের দিকে চলে যান শিক্ষার্থীদের একাংশ। এরপর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে তাদের আটকে দেয় পুলিশ। সেখানে পুলিশ ও শিক্ষার্থীরা মুখোমুখি অবস্থান নেন।

সেখান থেকে ২টা ৪২ মিনিটে একদফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিতে বঙ্গবভনে যান ১২ জনের একটি প্রতিনিধিদল। রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিয়ে ২টা ৫২ মিনিটের দিকে বের হন তারা।

কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা। বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি পেশ করে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ মোড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদলে ছিলেন- নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, সার্জিস আলম, আরিফ হোসেন, হাসিব আল ইসলাম, উমামা ফাতেমা, রিফাত রশিদ, সুমাইয়া, আব্দুল হান্নান মাসুদ, মো. মাহিন সরকার, আব্দুল কাদের ও মেহেরান নিসা।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ, মামলা তুলে নেওয়া ও কোটা সংস্কারের একদফা বাস্তবায়নের দাবিতে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিতে দুপুর ১২টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে গণপদযাত্রা শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের পদযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজসহ রাজধানীর বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন।

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না