শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিত ঝড় থামিয়ে সিরিজ বাংলাদেশের

news-image

ক্রীড়া প্রতিবেদক : শেষ ওভারে জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ছিল ২০ রান। মোস্তাফিজুর রহমানের ওভারে সেই সমীকরণটাও সহজ করে এনেছিলেন রোহিত শর্মা। ষষ্ঠ বলে একটি ছক্কা হলেই সিরিজ সমতায় ফিরতে পারতো ভারত। তবে সেটা আর হয়ে উঠেনি। রোহিত সিঙ্গেল নিলে ৫ রানের জয়ে সিরিজ জয়ও নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। যে জয়ের ভিতটা গড়ে দিয়েছিল মেহেদী হাসান মিরাজের অনবদ্য এক শতক।

মিরপুরে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ শুরুতেই পড়েছিল ব্যাটিং বিপর্যয়ে। আটে নেমে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে গড়েন ১৪৮ রানের জুটিতে দলকে এনে দিয়েছিলেন লড়াকু পুঁজি। তিনি নিজেও হাঁকিয়েছিলেন শতক। পরে বল হাতেও নিয়েছেন দুই উইকেট। ব্যাটে-বলে সমান বীরত্ব দেখিয়ে হয়েছেন ম্যাচ সেরা। সঙ্গে দলকে এনে দিয়েছেন জয়।

মিরাজ নিজের নামের সামর্থ প্রমাণ করেছেন সিরিজের প্রথম ম্যাচেই। খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলেছেন। ৩৮ রানের ছোটো তবে কার্যকর একটি ইনিংস খেলে টাইগারদের জিতিয়েছিলেন ১ উইকেটে। আজ আবার টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ পড়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে। ১৯ ওভারে মাত্র ৬৯ রান তুলতেই হারায় ৬ উইকেট হারানো লাল-সবুজদের জন্য ত্রাতা হয়ে আসেন মিরাজ-মাহমুদ। তাতে ভারতকে ২৭২ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে বাংলাদেশ।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই ভারত হারায় টপ অর্ডারের অন্যতম ভরসা বিরাট কোহলিকে। শিখর ধাওয়ান, লুকেশ রাহুল ও ওয়াশিংটন সুন্দর সবাই টাইগার বোলারদের তোপে নাজেহাল হয়েছেন। দ্রুত চার উইকেট হারানো ভারতের ত্রাতা হয়ে আসেন শ্রেয়াশ আইয়ার ও আক্সার প্যাটেল। দুজনে মিলে গড়েন ১০৭ রানের জুটি।

শ্রেয়াস যখন টাইগার বোলারদের পেটাচ্ছিলেন তখন চুপ হয়েছিল শের-ই-বাংলা। সেটিই গর্জে উঠে যখন আইয়ারকে ফেরান মিরাজ! সেই ওভারেই একটি ছয় মেরেছিলেন, আবার তুলে মারতে গিয়েছিলেন ক্রিজের একটু বাইরে এসে। তবে যেভাবে চেয়েছিলেন, টাইমিংটা সেভাবে হয়নি। ডিপ মিডউইকেটে ভুল করেননি আফিফ হোসেন। শ্রেয়াস থেমেছেন ৮২ রান করেই। আইয়ারের বিদায়ের পর প্যাটেল তুলে নেন অর্ধশতক। তবে বেশিক্ষণ টিকে থাকেননি। ইবাদতের শর্ট লেংথের বলে আগেভাগেই শট খেলে ফেলে কাভারে ক্যাচ তুলেন অক্ষর, সেটাই লুফে নেন সাকিব। ফিরেন ৫৬ বলে ৫৬ রান করে।

তাদের বিদায়ের পর শার্দুল ঠাকুরকে সাকিব ও দীপক চাহারকে ইবাদত ফেরান দ্রুত। জয়ের জন্য ভারতের ৪৪ বলে প্রয়োজন ৬৫ রান। তখনই ক্রিজে নামেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। খেলেন দুর্দান্ত এক ইনিংস। ২৮ বলে ৩ চার ও ৫ ছক্কায় ৫২ রান করে দলকে নিয়ে গিয়েছিলেন জয়ের প্রান্তে। শেষ বলে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৬ রানের। আগের বলেই মোস্তাফিজকে ছক্কা মেরে ব্যবধান কমিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাকে।

রোহিত যখন সিঙ্গেল নিয়ে ফেরার পথ ধরছিলেন, তখন খেলোয়াড়রা উচ্ছাসে মেতে উঠেন। রোহিতের ঝড় থামিয়ে দিয়ে যে বাংলাদেশ সিরিজটাই জিতে নিয়েছে। তৃতীয় ও শেষ একদিনের ম্যাচটি হবে আগামী ১০ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, বিপাকে চালকরা

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করছেন

আলুর নাগেট তৈরির রেসিপি জেনে নিন

ভালোবাসা পেলাম, এবার তার যোগ্য হওয়ার পালা : ফারিয়া

অবশেষে অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক

ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ : শিক্ষা সচিবকে অপসারণ করল ভারত

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ

বাগেরহাটে খানজাহান আলী মিশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে সমবায় সমিতির উদ্যোগ