,

বিএনপির উদ্দেশ্য লাশ ফেলা, নির্দেশদাতা তারেক: ওবায়দুল কাদের

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে পুলিশ ও জনগণের ওপর হামলা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ সোমবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ভিসানীতি তো তাদের ওপর প্রয়োগ করা উচিত। তাদের উদ্দেশ্য একটা লাশ ফেলবে। তারেক জিয়া লন্ডন থেকে ভিডিওতে বলছে একটা লাশের বদলে ১০টা লাশ ফেলবে। এ জন্যই পুলিশের ওপর হামলা। কিন্তু জনগণের জানমাল রক্ষা, চলাচল নিশ্চত করা পুলিশের দায়িত্ব।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি হোঁচট খেয়ে গোলাপবাগ থেকে সোহরাওয়ার্দী গেল। কোথায় গেল সে সাহস? পুলিশের অনুমতি নাকি নিবে না। অনুমতি নিয়েই তো গেল। রাজনীতি এত সোজা?’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের আগে ও পরে সবসময়ই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চায় আওয়ামী লীগ। কোনোভাবেই আওয়ামী লীগ সংঘাত-সংঘর্ষ চায় না। যথাসময়ে নির্বাচন চায়। যারা নির্বাচন চায়, তারা সংঘাত চায় না।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সমাবেশের পরের দিন তারা কেন অবরোধ কর্মসূচির দিল? এটা কোন ধরনের গণতন্ত্র? এটা তো নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা। তারা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে।’

বিদেশিরা পার্লামেন্ট বিলুপ্তি চায় না দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কোনো বিদেশি এ পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলেননি। এমনকি পার্লামেন্ট বিলুপ্তির কথাও বলেননি। বিএনপির কোনো দাবি বিদেশিরা সমর্থন করে না। বিদেশিরাও নির্বাচন চায়।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি নেতাদের আপ্যায়নের পর কর্মীদের কী অবস্থা খোঁজ নিয়ে দেখুন। অতিরিক্ত জামাকাপড় নিয়ে তো থাকতে পারল না। ২০০০ করে টাকা দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা উত্তেজনায় যাব না। আমরা নির্বাচন চাই। তারা যে করেই হোক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়। নির্বাচন পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি থাকবে, তবে ধরন পাল্টাবে। নির্বাচন পর্যন্ত ছাড়াছাড়ি নেই। আমরা মাঠে আছি।’

সংবিধান সংশোধন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধান স্বয়ংসম্পূর্ণ। এখানে নতুন কিছু করার প্রয়োজন নেই।’

মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ও ঢাকা ১৭ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী আরাফাত।