,

আরিফের নির্দেশে উপজেলা চেয়ারম্যানকে গুলি করতে যান শাকিলসহ ৩ জন

news-image

শিবপুর (নরসিংদী) প্রতিনিধি : নরসিংদীর শিবপুরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খানকে (৭০) গুলি করে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহ করাসহ সব পরিকল্পনা ছিল আরিফ সরকারের। তার নির্দেশেই মো. শাকিলসহ তিনজন বাড়িতে গিয়ে হারুনুর রশিদকে গুলি করেন। এরপর প্রথমে মোটরসাইকেল ও পরে প্রাইভেট কারে করে সটকে পড়েন তারা।

আলোচিত এ ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. শাকিল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্যই দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে শিবপুর থানার পুলিশ পলাতক মো. শাকিলকে গাজীপুরের কালীগঞ্জের এক বস্তি থেকে গ্রেপ্তার করে।

মো. শাকিল (৩৫) উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যাচেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত ৪ নম্বর আসামি। তিনি শিবপুরের পুটিয়া ইউনিয়নের মুনসেফেরচর এলাকার বাসিন্দা। তাকে আজ শুক্রবার নরসিংদীর আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ।

এদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খানকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনার এরই মধ্যে ছয় দিন পেরিয়ে গেলেও প্রধান আসামি আরিফ সরকারকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় তার পরিবার ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ। শিবপুরের পুটিয়া ইউনিয়নের কামারগাঁও এলাকার বাসিন্দা আরিফ সরকার দেশে আছেন নাকি পালিয়ে গেছেন, এই প্রশ্নও উঠেছে। ঘটনার পরদিন রাজধানীতে ডিবি পুলিশের হাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন, ছড়িয়ে পড়া এমন খবরের সত্যতাও নিশ্চিত করতে পারছে না পুলিশ। এছাড়া এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি হত্যাচেষ্টার মিশনে সরাসরি অংশ নেওয়া মহসিন ও ইরানকে।

পুলিশের একটি সূত্র বলছে, শাকিলকে গ্রেপ্তারের পরই তাকে জেলা গোয়েন্দা শাখায় নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তিনি হত্যাচেষ্টায় অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। তাঁর ভাষ্যমতে, আরিফ সরকারের সঙ্গেই নিয়মিত সংসদ সদস্য জহিরুল হক ভূঁইয়ার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতেন তিনি। হারুনুর রশিদ খানকে গুলি করার ঘটনায় আরিফই তাকে যেতে বলেছিলেন। ওই মিশনে তার সঙ্গে ছিলেন মহসিন ও ইরান। তবে আরিফ ছাড়াও এই বিষয়ে প্রায় সবকিছুই জানতেন মহসিন। শাকিল শুধু আরিফ সরকারের নির্দেশ পালন করেছেন।

শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার বলেন, ‘আরিফ সরকারের ফুপাতো বোনের স্বামী এই শাকিল। ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন অপকর্মে তিনি আরিফের সঙ্গে থাকতেন। উপজেলা চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার মিশনেও আরিফের নির্দেশেই গিয়েছিলেন তিনি। তবে চেয়ারম্যানকে হত্যাচেষ্টার কারণ জানেন না বলছেন তিনি। শুধু নির্দেশ পালন করেছেন। বলছেন, আরিফ আর মহসিন কারণ জানেন। এই দুজনকে গ্রেপ্তার করা গেলেই হত্যাচেষ্টার মোটিভ জানা যাবে।’

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না