শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর এমন রূপ সব সময়ই দেখা যায়

news-image

অন্য রকম হওয়ার কথা ছিল তার জীবন। জাতির পিতার কন্যা তিনি। রাজনীতির চড়াই-উতরাই দেখেছেন। জীবনের অনেকটা পথ রীতিমতো লড়াই করেই কাটাতে হয়েছে তাকে। বলতে গেলে জীবনের শুরুতেই জীবনযুদ্ধের সৈনিক তিনি। তারুণ্যের উষালগ্নে, যখন তার ভেসে যাওয়ার কথা উচ্ছলতার স্রোতধারায় তখনই হোঁচট খেতে হয়েছে। থমকে দাঁড়াতে হয়েছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সেই অভিশপ্ত দিনে হারিয়েছেন মা-বাবা, ভাইদের। হারিয়েছেন স্বদেশের আশ্রয়। আশ্রয়হীন পরিবেশে দেশে দেশে ঘুরেছেন। ছিল না নিশ্চিত নিরাপত্তা, জীবনযাপনের নিশ্চয়তাও ছিল অনুপস্থিত। জীবনযুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হয়েছে তাকে। বেছে নিতে হয়েছে অন্য রকম এক সংগ্রামী জীবন। লড়াই করেছেন দারিদ্র্যের সঙ্গে। কিন্তু জীবনের সত্য থেকে বিচ্যুত হননি কোনো দিন।

তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা। তার বাবার হাত ধরে জন্ম হয়েছে এই বাংলাদেশের। সারাদিন তার কত ব্যস্ততা। কত লোকবল থাকে তাকে সাহায্য করার জন্য। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তো একাই একশো। তিনি যেমন সাজগোজে সাদামাটা। তেমনি চলন বলনেও। তার প্রমাণ মেলে সর্বক্ষণই।

যারা জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে প্রবেশ করতে দেখেছেন। তারা একটা জিনিস নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন। সেখানে প্রবেশের সময় প্রধানমন্ত্রী নিজেই তার কার্ড প্রেস করে ঢোকার অনুমতি নেন। এর জন্য তিনি অন্যের সাহায্য নেন না। শুধু যে জাতীয় সংসদ তা নয়। প্রধানমন্ত্রী তার নিজের কাজ নিজে করতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। নানা সময়ে তার ঘনিষ্ঠজনেরাও সে কথা জানিয়েছেন।