,

রিজভীকে উপদেষ্টা হতে অনুরোধ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের

news-image

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও বিস্তৃত করতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে সংগঠনের উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পরামর্শের ভিত্তিতে রিজভীকে এ দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। এ সময় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-অর্থনৈতিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমনসহ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন নন; তারা বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সংবিধান তাদের সমান অধিকার দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের অধিকার, মর্যাদা ও স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রসহ সবার।

অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। রিজভী এসব বিষয় মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন ও সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

দেশের উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও জাতীয় কর্মকাণ্ডে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে বিএনপির প্রয়াত স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহের দিকনির্দেশনায় সমতলের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষকে সংগঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে তাদের অধিকার, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা বাড়াতে কাজ করে আসছে সংগঠনটি।

২০২৪ সালের ৩০ জুন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলকে বিএনপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়। একই বছরের ১৮ ডিসেম্বর সংগঠনটির সংশোধিত কেন্দ্রীয় কমিটিও অনুমোদন পায়।

ইতোমধ্যে ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সংগঠনটির জেলা ও সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে এমন অন্যান্য জেলাতেও কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।

সংগঠনের নেতারা মনে করছেন, রিজভীর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের অধিকার, প্রতিনিধিত্ব ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতেও তার দিকনির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।