,

বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর বিখ্যাত ১০ বাণী

news-image

ডেস্ক রিপোর্ট।। বিশ্বের আলোচিত ব্যক্তিত্ব বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। তাঁর ক্ষুরধার এসব মন্তব্যও বারবার আলোচনায় এসেছে। কিউবার স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার রাতে হাভানায় মহান এই নেতা মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। বিভিন্ন সময়ে করা তাঁর ১০টি উক্তি এখানে তুলে ধরা হলো :

১. ‘আমার নিন্দা করুন। এটা কোনো গুরুত্ব পাবে না। ইতিহাস আমাকে অব্যাহতি দেবে।’ ১৯৫৩ সালে সান্তিয়াগোতে মোংকাদা সামরিক ব্যারাকে আত্মঘাতীতুল্য হামলার অভিযোগে চলা বিচারে আত্মপক্ষ সমর্থন করে এ কথা বলেন কাস্ত্রো।

২. ‘আমি ৮২ জনকে নিয়ে বিপ্লব শুরু করি। তা যদি আমাকে আবার করতে হয়, তবে আমি ১০ বা ১৫ জনকে নিয়ে করব এবং সম্পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে করব। সংখ্যায় আপনি কত কম, সেটা কোনো বিষয় নয়, যদি আপনার বিশ্বাস ও কর্মপরিকল্পনা থাকে।’ ১৯৫৯ সালে কাস্ত্রো বলেছিলেন এ কথা।

৩. ‘আমি আমার দাড়ি কেটে ফেলার কথা ভাবছি না। কারণ, আমি আমার দাড়িতেই অভ্যস্ত এবং আমার দাড়ি আমার দেশের জন্য অনেক অর্থ বহন করে। সুশাসনের জন্য আমরা যেদিন আমাদের অঙ্গীকার পূরণ করতে পারব, সেদিন আমি দাড়ি কাটব।’ ১৯৫৯ সালে বিপ্লবের ৩০ দিন পর সিবিএসের এডওয়ার্ড মুরোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন কাস্ত্রো।

৪. ‘আমি অনেক আগেই এ ব্যাপারে উপসংহারে পৌঁছেছি যে ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে কিউবার জনগণের জন্য আমাকে এই শেষ ত্যাগ স্বীকার করতেই হবে। আমি আসলেই ধূমপানের তেমন অভাব বোধ করি না।’
১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিতে গিয়ে এ কথা বলেছিলেন কাস্ত্রো।

৫. ‘আমাকে জিইয়ে রাখা মতাদর্শ আর ব্যতিক্রমী মূর্তির (যিশুখ্রিষ্ট) প্রতীকী মতাদর্শের মধ্যে কখনো কোনো তফাত দেখিনি।’ ১৯৮৫ সালে কাস্ত্রো এই উক্তি করেন।

৬. ‘ভাবুন তো, সাম্যবাদের সম্প্রদায় যদি হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়, পৃথিবীতে তখন কী হবে…যদি তা সম্ভব হতো এবং আমি মনে করি না যে এটা সম্ভব।’ ১৯৮৯ সালে কাস্ত্রোর মন্তব্য।

৭. ‘বিপ্লবের সবচেয়ে বড় উপকার হচ্ছে, আমাদের যৌনকর্মীরাও গ্র্যাজুয়েট।’ ২০০৩ সালে পরিচালক অলিভার স্টোনকে এ কথা বলেন কাস্ত্রো।

৮. ‘কিউবার মডেল আমাদের জন্য আর কোনো কাজে আসবে না।’ ২০১০ সালে মার্কিন সাংবাদিক জেফ্রে গোল্ডবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন কাস্ত্রো। তবে পরে এ বিষয়ে কাস্ত্রো বলেছিলেন, তাঁর এ মন্তব্য অপ্রাসঙ্গিকভাবে টেনে আনা হয়েছিল।

৯. ‘আমি উপলব্ধি করেছি যে আমার সত্যিকারের নিয়তি হচ্ছে যুদ্ধ, যা আমি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করতে যাচ্ছি।’ কিউবার এই নেতার ওপর ২০০৪ সালে পরিচালক অলিভার স্টোন নির্মিত দ্বিতীয় তথ্যচিত্র ‘লুকিং ফর ফিদেল’-এ এই মন্তব্য করেন কাস্ত্রো।

১০. ‘৮০ বছরে পৌঁছাতে পেরে আমি সত্যিই খুশি। আমি তা কখনো আশা করিনি, অন্তত এমন প্রতিবেশী পাওয়ার কথা ভাবিনি, বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর যে প্রতিবেশী প্রতিদিন আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছে।’
২০০৬ সালের ২১ জুলাই আর্জেন্টিনায় অনুষ্ঠিত লাতিন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট সম্মেলনে অংশ নিয়ে এ কথা বলেছিলেন ফিদেল কাস্ত্রো। সূত্র : দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া

এ জাতীয় আরও খবর

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু

ফুলবাড়ীতে পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত : সভাপতি রতন-সম্পাদক আনন্দ নির্বাচিত

ইন্দোনেশিয়ায় ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্প

মার্চের মধ্যে উদ্বোধন হবে পদ্মা ব্যারেজ

মুগদা হাসপাতালে অনিয়ম নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

গাজীপুরের যেসব এলাকায় ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে প্রধানমন্ত্রী

বৃষ্টি কমে বাড়তে পারে গরম

চার দফা কমার পর আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মোদি-শি বৈঠকে ভারত-চীন সম্পর্ক স্বাভাবিকের বার্তা

রিজভীকে উপদেষ্টা হতে অনুরোধ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের