শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কনের ভয়ঙ্কর কাণ্ড!

news-image

কুমারি সেজে দ্বিতীয় বিয়ে করায় বগুড়ায় এক গৃহবধূর জেল জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। প্রথম বিয়ে গোপন করে কুমারী সেজে ২য় বিয়ে করার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় দেয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত শাপলা আকতার লিলি গাবতলী উপজেলার মহিষাবান গ্রামের আবুল কালামের কন্যা।বগুড়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-৪ এর আদালতে পেনাল কোডের ৪৯৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে লিলি নামের ওই গৃহবধূকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

গতকাল বুধবার বিকেলে আদালতের বিচারক আছমা মাহমুদ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। এর আগে দ্বিতীয় স্বামীর মামলায় দুই মাস সাজা ভোগ করার পর জামিনে মুক্ত হন লিলি।মামলা সূত্রে জানা গেছে, লিলি বিগত ২০১৪ সালের ২৯ নভেম্বর শাজাহানপুর উপজেলার শেরকোল গ্রামের মৃত আফছার আলীর ছেলে রাজু আহম্মেদকে বিয়ে করেন। মাত্র ৫ মাস সংসার করে সে বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর প্রথম বিয়ে গোপন করে কুমারী সেজে ২০১৫ সালের ১ জুলাই গাবতলী উপজেলার ধোড়া গ্রামের আমজাদ হোসেন মোল্লার ছেলে আপেল মাহমুদ রনির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

ঘটনাটি জানতে পেরে লিলির প্রথম স্বামী রাজু আহম্মেদ ৬ জনকে আসামি করে ২০১৫ সালের জুলাই মাসেই আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে গাবতলী মডেল থানার এসআই জাহিদুল ইসলাম আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর মামলায় সাক্ষী শেষে ৩ বছর পর গত বুধবার বিজ্ঞ আদালত উল্লেখিত রায় প্রদান করেন।এদিকে ১ম বিবাহ গোপন করে নিজেকে কুমারী সেজে দ্বিতীয় বিয়ে করায় ২য় স্বামী আপেল মাহমুদ রনি বাদী হয়ে লিলির বিরুদ্ধে আদালতে ২০১৫ সালের শেষের দিকে একই ধরনের আরও একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলাতেও বাদীর ঘটনা সত্য প্রমাণিত হওয়ায় চলতি বছরের ২০১৮ সালের ৩ জানুয়ারি আদালত লিলিকে এক বছর ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন। ওই মামলায় দুই মাস সাজা ভোগ করার পর আপিলে বের হন লিলি।

বুধবার রায় ঘোষণার সময় লিলি আদালতে অনুপস্থিত থাকায়, যেদিন সে গ্রেফতার হবে সেদিন থেকেই তারা সাজা কার্যকর হবে বলে আদালত ঘোষণা পত্রে উল্লেখ করেন।বাদীপক্ষের আইনজীবী শাহাদত হোসেন জানান, দ্বিতীয় স্বামী আপেল মাহমুদ রনিও আদালতে একই ধরনের মামলা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত ওই মামলাতেও এ বছরের ৩ জানুয়ারি লিলিকে দেড় বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। দুই মাস সাজাভোগের পর তিনি জজকোর্টে আপিল করে জেল থেকে জামিনে ছাড়া পান।

তিনি বলেন, লিলির বিরুদ্ধে আরও একাধিক বিয়ে করার অভিযোগ আছে। চেহারা সুন্দর হওয়ায় সে একের পর এক ছেলেকে বিয়ে করে দেনমোহর আদায় করে তালাক দেয়। বর্তমানে সে ঢাকার একটি ছেলেকে বিয়ে করে সেখানেই অবস্থান করছেন বলে তারা জানতে পেরেছেন।অভিযুক্ত লিলির বক্তব্য জানতে তার নিজের ও বাবা আবুল কালামের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

এ জাতীয় আরও খবর

রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গিয়ে অসুস্থ মির্জা ফখরুল

উত্তরাঞ্চলের মানুষ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত : নাহিদ ইসলাম

জিয়াউর রহমান হত্যায় আটক মেজর মোজাফফরকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর

যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসায় বড় পরিবর্তন, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

রাজস্ব-মূল্যস্ফীতি-ব্যাংকিং সংকট নিয়ে আইএমএফের উদ্বেগ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে সিরিজ বাঁচাতে পারবে বাংলাদেশ?

বিচ্ছেদের পর গোপন প্রেমের গুঞ্জন মৌনীর

প্রেগন্যান্সিতে স্পটিং কি স্বাভাবিক?

আর্জেন্টিনার সঙ্গে বিয়ের কী সম্পর্ক : তিশা

টাকা দিয়ে পুরস্কার কিনে নিতে পারবো : আলিয়া

ফাইনালের আগে স্পেনের জন্য বড় দুঃসংবাদ

পর্দার বাইরে জীবন খুব সাধারণ: স্পর্শিয়া