,

তিন সিটি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ প্রশ্নে ‘ধীরে চলো নীতি’ বিএনপির

news-image

আগামী ৩০ জুলাই তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় নির্বাচনের আগে এই নির্বাচনটি সরকার ও নির্বাচন কমিশনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এরপরই জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর তিন সিটি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ প্রশ্নে ‘ধীরে চলো নীতি’ নিয়েছে বিএনপি। দলটির নীতি নির্ধারকরা সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে এখন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে রাজি নন।
রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট এই তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে কিনা তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামী ২৬ জুন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যন্ত। গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনে রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের নীতিনির্ধারকদের মধ্যকার বৈঠকে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন দেখে তিন সিটিতে নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন তারা।
দলের একজন সিনিয়র নেতা জানান, সরকার ও নির্বাচন কমিশন যেভাবে খুলনা সিটি নির্বাচন নিয়ন্ত্রিত করে নির্বাচন করেছে সেই ধরণের বা অন্য কোনো কৌশল যদি গাজীপুর নির্বাচনে নেয় তাহলে তখন অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, গাজীপুরে আমাদের দলীয় প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার বিপুলভোটে বিজয়ী হবেন এতে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। এখন দেখার বিষয় ওই নির্বাচনটি নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে করতে পারে কিনা।
জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গাজীপুর নির্বাচনে আমরা যাচ্ছি। বাকি সিটিগুলোর বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি সেটা নির্ভর করবে গাজীপুর নির্বাচন দেখে। তারপর বলতে পারবো তিন সিটি নিবার্চনে বিএনপি যাবে কিনা।
দলীয় সূত্র জানায়, গাজীপুর নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও তিন সিটিতে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে রাজশাহীতে বিএনপির জোটবন্ধু জামায়াত তাদের মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি সিদ্দিক হোসেন স্বতন্ত্র হিসেবে মেয়র পদে লড়ার ইঙ্গিত দিয়ে নগরীতে ফেস্টুনও লাগিয়েছেন। রাজশাহীতে জামায়াতের যে ভোটব্যাংক রয়েছে ফলে এই সিটিতে বিএনপির মেয়র প্রার্থীর জন্য এক ধরণের অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। রাজশাহীর বর্তমান মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। তিনি ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হলেও দায়িত্বপালন করতে পেরেছেন মাত্র দুই বছর তিন মাসের মত। বেশিরভাগ সময় তাকে কাটাতে হয়েছে আদালতের বারান্দায়। নগরীর উন্নয়নে প্রত্যাশিত উন্নয়ন কর্মকা- চালাতে পারেননি তিনি।
এসব আমলে নিয়ে খুলনা ও গাজীপুরের মত রাজশাহীতে মেয়র পদে প্রার্থী পরিবর্তন করার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছে বিএনপি। এক্ষেত্রে সাবেক সিটি মেয়র মিজানুর রহমান মিনু অথবা রাজশাহী মহানগর সম্পাদক শফিকুল হক মিলনকেও মেয়র পদে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করতে পারে দলটি।
বরিশালে এবার মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বর্তমান মেয়র মো. আহসান হাবিব কামাল ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন। তবে এই সিটিতে যাকেই মনোনয়ন দেওয়া হোক না কেন মুজিবুর রহমান সরোয়ারের আর্শীবাদপুষ্ট হতে হবে। সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও বর্তমান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবারও মনোনয়ন অনেকাংশে নিশ্চিত। এর বাইরে মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনের নামও শোনা গেছে।

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর