,

কিসের অপেক্ষায় খালেদা জিয়া?

khaleda-1নিউজ ডেস্ক : দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের পর বিএনপি চাঙ্গা হবে। এমনটাই প্রত্যাশা ছিল বিএনপি নেতাকর্মীসহ দেশের সকল পর্য়ায়ের মানুষের। সবাই মনে করেছিল কাউন্সিলের পর সরকারের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলনে নামবে বিএনপি। কাউন্সিল হওয়ার পূর্বে বিএনপির সিনিয়র নেতারা তো প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন সভা সেমিনারে প্রধান অতিথি হয়ে মিডিয়ার সামনে ডাক-ঢোল পিটিয়ে এমনটাই জানিয়েছেন।

গত ১৯ মার্চের কাউন্সিলে সবাই মিলে খালেদার প্রতি অগাত শ্রদ্ধাবোধ দেখিয়ে তার হাতে কমিটি গঠনের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন।একটা রাজনৈতিক দলের প্রধানের প্রতি নেতাকর্মীদের এমন শ্রদ্ধাবোধ সত্যিই প্রশংসনীয়। একক ক্ষমতা পেয়ে আংশিক কমিটিও ঘোষণা করেছেন খালেদা জিয়া।তবে পূর্ণাঙ্গ কমিটি কবে আসবে তা জানা নেই কারও। সেটা বিএনপি প্রধানের রাজনৈতিক কোন কৌশলও হতে পারে। সে নিয়ে কারও মাথা ব্যাথা থাকার কথাও নয়।

বিএনপি তাদের কমিটি কবে দিবে কি? দিবে না সেটা তাদের ব্যাপার। তবে বিএনপি প্রধানের একটা কথা মাথায় রাখা অতীব জরুরি। যদি তিনি (খালেদা) দেশের মানুষকে ভালেবাসেন। তাহলে খালেদা জিয়ার বিএনপির ছোট বড় সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কথা ভাবা উচিত। কারণ বর্তমান সরকারের সময়ে দেশের সকল মানুষ ভালো নেই। ভালো আছে শুধু একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠী।

প্রত্যেক দেশেই কিছু বড় মানুষ সুবাধাবাদী হয়ে থাকে। তারা দেশের যেকোন পরিস্থিতিতেই সুবিধা খুঁজেন। আমাদের দেশেও সুবিধাবাদীদের সংখ্যা কম নেই। যারা সব সময়ই সুবিধা নিয়ে চলতে পছন্দ করেন। উদাহরণ হিসেবে আমরা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেন মুহাম্মদ এরশাদের কথাই বলতে পারি। যে ক্ষমতায় থাকেন তিনি তার সঙ্গেই থাকেন। তাই তাকে নিয়ে জাতির প্রত্যাশাও নেই।

তবে খালেদা জিয়া আপনাকে বলছি-দেশের মানুষের ক্রান্তি লগ্নে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ছেন, আপনিও শক্তভাবে এদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ান।

শেখ হাসিনার ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মতো একটা নির্বাচন ৯৬ সালে আপনিও করেছিলেন। সে সময় গণতন্ত্র ও দেশের মানুষের কথা ভেবে হয়তো আপনি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের যে পরিকল্পনা করেছিলেন। তা বাতিল করেছেন। সে সময় আপনার বিরুদ্ধে জোড়ালো আন্দোলনও হয়েছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। অবশেষে আপনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়েছিলেন। তবে আপনি ভাবছেন শেখ হাসিনাও আপনার মতো নির্বাচন দিবে।

এটা আপনার ভুল ধারণা। কারণ শেখ হাসিনা নির্বাচন দিলে, আগেই দিতেন।তাহলে দেশের এতো মানুষের প্রান যেত না। শেখ হাসিনা আর কোনদিন তত্ত্ববধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিবে না। তাই যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চান।

তাহলে শেখ হাসিনার মতো আন্দোলন করেই আপনাকে সে দাবি আদায় করতে হবে। নতুবা বিএনপি আপনার হাত থেকেই মারা যাবে। তারেক রহমানসহ তার পরবর্তী প্রজন্মের কাছে বিএনপি পৌঁছাবে না। তাই আপনাকে বলতে চাই, আপনি কিসের অপেক্ষা করছেন? দ্রুত সিদ্ধান্ত নিন কি করবেন? নয়তো বিএনপি খুব শীঘ্রই হারিয়ে যাবে। আশা করি গত কয়েক বছরে তা আপনি নিজেও টের পেয়েছেন। আর যদি ২০১৯ সালের নির্বাচনের আশায় থাকেন। তাহলে সেটা আপনার জন্য আরও বড় ভুল হবে। কারণ সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচন কথা আপনার ভুলে যাওয়ার কথা নয়।
লেখক – সাংবাদিক

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা