,

অস্ত্র আমদানিকারক শীর্ষ ১০ দেশের ৬টি এশিয়ার

weapons20150308153532বিশ্বে অস্ত্রের বাণিজ্য ২০১১ থেকে ২০১৫ সালে এর আগের পাঁচ বছরের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অস্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে ৬১ শতাংশ। শীর্ষ ১০ অস্ত্র আমদানিকারক দেশের ছয়টি এশিয়ার। আর অন্যান্যবারের মতো অস্ত্র রপ্তানিকারক শীর্ষ দুই দেশের তালিকায় এবারও রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।

বৈশ্বিক অস্ত্র লেনদেনের প্রবণতা বিশ্লেষণ করে ‘ট্রেন্ডস ইন ইন্টারন্যাশনাল আর্মস ট্রান্সফার্স, ২০১৫’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে সুইডেন ভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপ্রি (স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট)। সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংঘাত, সমরাস্ত্র, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে স্বাধীনভাবে গবেষণা জড়িত সিপ্রি।
সিপ্রির গবেষণায় দেখা গেছে, শীর্ষ অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পর চীনের অবস্থান। আর চীনের প্রধান তিন অস্ত্র আমদানিকারক দেশের তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। আর প্রথম ও তৃতীয় দেশের তালিকায় আছে যথাক্রমে পাকিস্তান ও মিয়ানমার।
জানতে চাইলে নিরাপত্তা বিশ্লেষক এয়ার কমোডর (অব.) ইশফাক ইলাহী চৌধুরী গতরাতে প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ চীনের উৎপাদিত অস্ত্র ব্যবহার করে আসছে। হুট করে নতুন ধরনের সমরাস্ত্রের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া কঠিন। তা ছাড়া পাশ্চাত্যের দেশগুলোর সমরাস্ত্র অত্যাধুনিক হলেও সেগুলো ব্যয়বহুল। তাই আমাদের ক্রয়ক্ষমতা কম হওয়ায় আমরা সামর্থ্যের মধ্যে অস্ত্র কিনে থাকি। তবে ইদানীং আমরা রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন উৎস থেকেও অস্ত্র কিনছি।
সিপ্রির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওই গবেষণার উল্লেখ করে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে শীর্ষ ১০ অস্ত্র আমদানিকারক দেশের ছয়টি এশিয়া এবং ওশেনিয়ায় অবস্থিত। এদের মধ্যে রয়েছে-ভারত, চীন, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ কোরিয়া। এ সময়ের মধ্যে এ অঞ্চলের দেশগুলোর অস্ত্র আমদানি ২০০৬ থেকে ২০১০ সালের তুলনায় ২৬ শতাংশ বেড়েছে।
২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ অস্ত্র আমদানিকারক দেশ ছিল সৌদি আরব। দেশটির অস্ত্র আমদানি আগের পাঁচ বছরের চেয়ে ২৭৫ শতাংশ বেড়েছে। সৌদি আরব ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও মিশরের অস্ত্র আমদানিও এ সময় বেড়েছে।
এ বিষয়ে সিপ্রির অস্ত্র এবং সামরিক ব্যয় কর্মসূচির জ্যেষ্ঠ গবেষক সিয়েমন ওয়েজম্যান বলেন, আমদানি করা এবং নিজেদের উৎপাদিত অস্ত্রের মাধ্যমে চীন নিজের সামরিক সামর্থ্য অব্যাহতভাবে বাড়িয়ে চলেছে। এ ছাড়া চীনের প্রতিবেশী ভারত, ভিয়েতনাম এবং জাপানও উল্লেখযোগ্যভাবে নিজেদের সামরিক সামর্থ্য জোরদার করছে।
সিয়েমন ওয়েজম্যান বলেন, আরব দেশগুলোর জোট যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের উৎপাদিত আধুনিক অস্ত্র ইয়েমেনে মোতায়েন করেছে। তেলের দাম কমার পরও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ভবিষ্যতে ব্যাপক হারে অস্ত্র মোতায়েন হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা