জুলাই জাদুঘর থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রদর্শনী সরানোর অভিযোগ
অনলাইন ডেস্ক : সজুলাই ৩৬ গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা, ফেলানী হত্যাকাণ্ড ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসসংবলিত কয়েকটি প্রদর্শনী সরিয়ে ফেলার অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
শনিবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব অভিযোগ করেন। তার দাবি, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর জাদুঘর উদ্বোধনের আগে এসব পরিবর্তন করা হয়েছে।
আসিফ মাহমুদের অভিযোগ, জাদুঘরের ‘বর্ডার কিলিং রুম’ নামে একটি অংশে সীমান্ত হত্যার বিভিন্ন আলামত ও তথ্য সংরক্ষিত ছিল। উদ্বোধনের আগে পুরো অংশটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্ত হত্যার শিকার ফেলানীর ভাস্কর্যও সরিয়ে দেওয়ার দাবি করেন তিনি।
তার পোস্টে আরও বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি নিয়ে থাকা অংশ এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরোধিতায় আন্দোলনের ইতিহাসসংবলিত একটি সেকশনও বাদ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের আলামত ও ইতিহাস নিয়ে থাকা অংশ ছোট করে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আসিফ মাহমুদ।
ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময়কার রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে জাদুঘরের ‘লং ওয়াক টু ডেমোক্রেসি’ অংশে থাকা ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির বইয়ের একটি রেফারেন্সও সরিয়ে দেওয়ার দাবি করেন তিনি।
আসিফ মাহমুদের ভাষ্য, এসবের বাইরে আরও কিছু ছোট উপাদান বাদ দেওয়া হয়েছে এবং জাদুঘরের বিভিন্ন অংশে আপস করা হয়েছে।
তবে তার এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়েছে কি না, তা পোস্টে উল্লেখ করা হয়নি।











