বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ লাখ গরু আসছে ভারত থেকে

news-image

কোরবানি ঈদ সামনে রেখে গবাদি পশু সঙ্কটের শঙ্কা কেটে যাচ্ছে। ঘাটতি ১০ লাখ গরু ভারত থেকে আসবে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যের মাধ্যমে। এই অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত উভয় সরকারের ইতিবাচক মনোভাব ও পদক্ষেপের ফলে।
ইতোমধ্যে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের নজরদারি শিথিল করা হয়েছে। বাড়ছে গরু আমদানি। পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলার সীমান্ত দিয়ে গরু আসা শুরু হয়েছে। শীঘ্রই ভারত সীমান্তের ৩১টি করিডোর দিয়েই অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যে গরু আমদানি পুনরায় চালু করা হবে। গরু বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে যাতে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে গোলাগুলি না ঘটে সে বিষয়েও সতর্ক থাকবে উভয় দেশ।
এ ছাড়া কোরবানি সামনে রেখে দেশীয় গরু মোটাতাজাকরণে বিষাক্ত রাসায়নিক ওষুধ ব্যবহার করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওইসব গরু হাটে আনা হলে জরিমানাসহ বেপারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।
জানা গেছে, প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের বর্তমান সরকারের কঠোর নীতিমালার কারণে সে দেশ থেকে গরু আমদানি প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। আশঙ্কা ছিল, এ কারণে আগামী কোরবানি ঈদের সময় এর একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে অভ্যন্তরীণ বাজারে। কিন্ত সেই শঙ্কা কেটে যাচ্ছে উভয় সরকারের ইতিবাচক মনোভাবের কারণে। কোরবানির চাহিদা মেটাতে ভারত থেকেই গরু আমদানি করা হবে।
বাণিজ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, আগামী কোরবানি ঈদ সামনে রেখে গরু সঙ্কটের কোন আশঙ্কা নেই। ওই সময় ৭০ লাখ গরু ও মহিষের প্রয়োজন, কিন্তু আমাদের রয়েছে ৬০ লাখ। বাকি ১০ লাখ গরু ভারত থেকে আনা হবে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যের মাধ্যমে। এই বাণিজ্য ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। ভারত থেকে গরু আসা শুরু হয়ে
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাব মতে, দেশে এখন গরুর সংখ্যা ২ কোটি ৮৬ লাখ। এর মধ্যে ১ কোটি ৭৫ লাখ গাভী। প্রাণিসম্পদ অধিদফতর ও মাংস ব্যবসায়ীদের হিসাবে, দেশে বছরে ১ কোটি ৪০ লাখের মতো গরু ও মহিষ জবাই হয়। সূত্রগুলো বলছে কোরবানি ঈদে প্রায় ৭০ লাখ গরু ও মহিষের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু এখন দেশে কোরবানি দেয়ার মতো গরু ও মহিষের মজুদ রয়েছে ৬০ লাখ। সেই হিসাবে ১০ লাখ গরুর ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে কোরবানির সময় গরু আমদানির প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা
জানা গেছে, ভারত থেকে গরু আমদানির জন্য সীমান্তে ৩১টি করিডর স্থাপিত রয়েছে। সবচেয়ে বেশি করিডোর আছে রাজশাহী অঞ্চলে, ১২টি। এছাড়া যশোর, খুলনা, সিলেট ও চট্টগ্রামেও গরু আমদানির করিডোর রয়েছে। এসব করিডোর থেকেই অবৈধপথে আসা পশু বৈধ করা হয়। সরকারি নিয়ম অনুসারে প্রতিটি গরু মহিষের জন্য ৫০০ টাকা, দুম্বা বা ছাগলের জন্য ২০০ টাকা এবং উট, গাধা বা ঘোড়ার জন্য ৬ হাজার টাকা রাজস্ব দিতে হয়। তবে এ অর্থ আদায় করা হয় পশু বিক্রির মূল্য হিসাবে।

 


 
 
নয়া দিগন্ত

 

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা