বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত আছি

news-image

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে আমি প্রস্তুত। যতই ষড়যন্ত্র হোক, পরোয়া করি না। আল্লাহ ছাড়া কারও কাছে মাথানত করি না, করব না। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু এ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করেছেন। ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতেই হবে। শুধু মধ্যম আয়ের দেশ না, বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করব, সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এটুকু বলব যে, এ দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলবে সেটা হতে দেব না। আমার জীবনের কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। জাতির ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আমার পিতা জীবন দিয়ে গেছেন। এ দেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন। তার স্বপ্ন ছিল দারিদ্র্যমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়া। সেই স্বপ্ন পূরণ করাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করে যাচ্ছি। শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কখনও ভুল করেন না। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেন। বাঙালি জাতির ভাগ্যের পরিবর্তন হবেই। কোনো ষড়যন্ত্রকে আমি ভয় করি না। আল্লাহ ছাড়া আমি কারও কাছে মাথানত করব না।
আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫ আগস্টের মর্মান্তিক ঘটনা তুলে ধরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর লক্ষ্যই ছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা। কিন্তু তারা তা করতে পারেনি। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু পারেনি। যে বাঙালিকে বঙ্গবন্ধু জীবনের চেয়ে, সন্তানের চেয়ে বেশি ভালোবেসেছেন, সেই বাঙালির হাতেই তাকে জীবন দিতে হল। যে বাঙালি স্বাধীনতার মাধ্যমে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর সেই বাঙালির মাথা হেঁট হয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ইনডেমনিটি দিয়ে বিচার বন্ধ করে দেন। জাতির পিতার খুনিদের রাষ্ট্রদূত করে বিদেশে পুনর্বাসন করেন। এরশাদ এসে বঙ্গবন্ধুর খুনি ফারুককে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করেন। খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালের ভোটারবিহীন নির্বাচনে রশিদকে বিরোধী দলের নেতা হিসেবে সংসদে বসান। এদেশের মানুষ আন্দোলনের মাধ্যমে এরশাদের মতো খালেদা জিয়াকেও ক্ষমতাচ্যুত করে।
 

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা