বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুক্তির আগেই দালালরা মাঠে সক্রিয়

news-image

ডেস্ক রির্পোট : আগামী ৩ বছরে মালয়েশিয়া বাংলাদেশ থেকে ১৫ লাখ শ্রমিক নেবে বেসরকারিভাবে। আসছে ১০ আগস্ট এ সংক্রান্ত চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার কথা। ৯ আগস্ট মালয়েশিয়ার একটি প্রতিনিধি দল আসছে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি না হলেও রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো টাকা তুলতে শুরু করেছে। সারা দেশে আবার সক্রিয় হয়ে উঠছে দালালচক্র। হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।
এ প্রসঙ্গে একাধিক রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা মালয়েশিয়ার বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করে ভিসা কেনার বিষয়ে আলাপ সেরে ফেলেছে। আগাম টাকাও দিয়েছে অনেকে। দুই সরকারের মধ্যে আন্ষ্ঠুানিকতা শেষ হলেই শুরু হবে ভিসা আনা এবং শ্রমিক পাঠানো পর্ব।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী সেপ্টেম্বর থেকেই শ্রমিক পাঠানো শুরু হতে পারে। কার্যত মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার খোলার খবরে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় থাকা রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো। তারা শ্রমিক প্রতি আড়াই লাখ থেকে শুরু করে তিন/চার লাখ টাকা করেও দাবি করছে।
এদিকে মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদের দেয়া ভাষ্য মতে, ২০১৩ সালে সরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক জন্য নিবন্ধন করা হয়েছিলো। সাড়ে ১৪ লাখ মানুষ নিবন্ধন করেছিল সারা দেশে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এবার বেসরকারিভাবে কর্মী গেলেও নিবন্ধিত কর্মী থেকেই মালয়েশিয়া পাঠানো হবে। জনশক্তি রপ্তানিকারকরা নিবন্ধনের বাইরে কোনো কর্মী পাঠাতে পারবেন না।  সে নির্দেশনার  তোয়াক্কা না করে জনশক্তি রপ্তানিকারকরা নিজেদের ইচ্ছেমতো শ্রমিক সংগ্রহে নেমেছেন।
বাংলাদেশে বেসরকারিভাবে বিদেশে জনশক্তি পাঠানোর এজেন্সিগুলোর সংগঠন  বায়রা’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও গ্রীনল্যান্ড ওভারসীজের স্বত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ আবদুল হাই বলেন, মালয়েশিয়া যেতে অভিবাসন খরচ কমই হবে। সরকারি খরচের চেয়ে তো অবশ্যই কম।  তিনি বলেন, সরকার ২৭ থেকে ৩৩ হাজার টাকা খরচের কথা বললেও মূলত শ্রমিক প্রতি খরচ হয়েছে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা, যা মিডিয়ায় আসেনি। বেসরকারিভাবে তার চেয়ে কম খরচে শ্রমিক পাঠানো সম্ভব হবে।
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেন, জনশক্তি রপ্তানিকারকরা যেন অতিরিক্ত অভিবাসনমূল্য না নিতে পারে ব্যবস্থা করা হবে। তাদের খরচ ও লাভ বিবেচনা করে মালয়েশিয়ার জন্য অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করা হতে পারে। তবে দেশটির প্রতিনিধি দল ঢাকায় এসে চুক্তিটি সম্পন্ন করার পরই সেসব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির অন্যতম বাজার মালয়েশিয়া। বর্তমানেও সেখানে প্রায় ছয় লাখ বাংলাদেশি কাজ করছে।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা