অস্ট্রেলিয়ার বাউন্স সামলানোই বড় চ্যালেঞ্জ: শান্ত
অনলাইন ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্টে স্বাগতিক দলের পেসারদের বাড়তি বাউন্স মোকাবিলা করাই বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে এ পরিস্থিতির জন্য দল প্রস্তুত বলেও আত্মবিশ্বাস জানিয়েছেন তিনি।
ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট শুরুর আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে শান্ত বলেন, দেশের মাটিতে বাউন্সি উইকেটে অনুশীলন করায় কন্ডিশন সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পেয়েছেন তারা। অস্ট্রেলিয়ায়ও কয়েক দিন আগে পৌঁছানোয় পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ হয়েছে।
প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে ৫৪ রানে অলআউট হওয়ার বিষয়টিকে বড় করে দেখতে চান না বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার মতে, প্রস্তুতি পর্বে খারাপ দিন আসতেই পারে। বরং মূল ম্যাচে নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলাই গুরুত্বপূর্ণ।
শান্ত বলেন, অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণ বিশ্বমানের। তাই তাদের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ। ব্যাটারদের নতুন বল সামলে দীর্ঘ সময় উইকেটে থাকার পাশাপাশি মনোযোগ ধরে রেখে রান করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাসও কাজে লাগাতে চান শান্ত। জুনে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজও ২-০ ব্যবধানে জয়ের পর লাল বলের ক্রিকেটে দল আত্মবিশ্বাসী বলে জানান তিনি।
শান্ত বলেন, গত কয়েক বছরে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের উন্নতি হয়েছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান চক্রে দলও আগের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে। বোলিংয়ে ধারাবাহিকতার পাশাপাশি ব্যাটিংয়ে আরও উন্নতি করতে পারলে দল আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করেন তিনি।
উইকেট প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অধিনায়ক জানান, ডারউইনের উইকেটে ঘাস রয়েছে এবং ব্যাটার ও বোলার—দুই পক্ষই সেখান থেকে সহায়তা পেতে পারে। এমন কন্ডিশনের সঙ্গে পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে মানিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে দলের।
একাদশে দুই বিশেষজ্ঞ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামকে রাখার ইঙ্গিতও দিয়েছেন শান্ত। প্রস্তুতি ম্যাচে সেঞ্চুরি করা মিরাজের সঙ্গে তাইজুল খেলতে পারেন। তাদের সঙ্গে তিন পেসার নিয়েও মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশের জন্য বড় দুশ্চিন্তার জায়গা নাহিদ রানার অনুপস্থিতি। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণে থাকছেন প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউড ও নাথান লায়নের মতো অভিজ্ঞ বোলাররা।
তবে প্রতিপক্ষের শক্তি নিয়ে না ভেবে পাঁচ দিন পর্যন্ত লড়াই করার লক্ষ্য বাংলাদেশের। শান্ত জানান, প্রতিটি সেশন ধরে এগিয়ে গিয়ে ম্যাচের শেষ দিন পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকার পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নামবে দল।











