,

এখনও অক্ষত ইরানের খার্গ দ্বীপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাঁচ মাইল দীর্ঘ এই প্রবাল দ্বীপেই ইরানের মধ্যাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের তেলক্ষেত্রগুলোর পাইপলাইন এসে মিশেছে। মার্কিন তেল কোম্পানি অ্যামোকো প্রতিষ্ঠা করলেও ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর ইরান এর নিয়ন্ত্রণ নেয় -দ্য গার্ডিয়ান

ইরানের তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই হয় খার্গ দ্বীপের টার্মিনাল দিয়ে। দেশটির অর্থনীতির অন্যতম সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তু হওয়া সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান বিমান হামলায় এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে এই দ্বীপটি। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন বাহিনী যদি এই টার্মিনালে বোমাবর্ষণ করে বা এর নিয়ন্ত্রণ নেয়, তবে বিশ্ববাজারে ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের দাম লাগামহীন হয়ে পড়তে পারে। এর ফলে ইরানের দৈনন্দিন অপরিশোধিত তেল রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

চ্যাথাম হাউস থিংকট্যাংকের বিশ্লেষক নিল কুইলিয়াম বলেন, ‘খার্গ দ্বীপে হামলা হলে জ্বালানি তেলের দাম গত সোমবারের ১২০ ডলার থেকে লাফিয়ে প্রতি ব্যারেলে ১৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য এই টার্মিনালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

 

এ জাতীয় আরও খবর

হরমুজে মার্কিন সাবমেরিন আটকের দাবি ইরানের

বাঁধনের ওপর হামলাকারীদের বিচার চায় এনসিপি

গ্যাস সংকট দ্রুত কাটবে, বললেন রিজভী

ভর্তুকি নেই, নিম্নমানের খাবারে ভোগান্তি বেরোবি শিক্ষার্থীদের

পলিথিন বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীর যেসব এলাকায় ৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না

স্ত্রীর পরকীয়ার অভিযোগ, বিচারের আশায় স্বামী

ফ্যাসিস্টের থেকে মুক্তি মিললেও মূল্য দিতে হয়েছে অনেক: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদে সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

আশুলিয়ায় ট্রিপল হত্যার কারণ জানাল পিবিআই

তিন বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আদালত বর্জন আইনজীবীদের

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার শ্রমিক নেবে ওমান