,

রমেশ চন্দ্রের মোটরসাইকেলের দাম ২২০০ টাকা!

news-image

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁও-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন ও তার স্ত্রীর নগদ অর্থ ও সম্পদের পরিমাণ যেন ফুলেফেঁপে উঠেছে। ১০ বছর আগে তার স্ত্রী অঞ্জলি রানীর হাতে নগদ টাকার পরিমাণ ছিল ‘শূন্য’। এবার দেখানো হয়েছে ২৫ লাখ ১০ হাজার ৯৬৮ টাকা। রমেশ চন্দ্র সেন দেখিয়েছিলেন ৩৫৯ টাকা, বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে তিন কোটি ১০ লাখ এক হাজার ৪৯৭ টাকা ৭৪ পয়সায়। তার ২ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের একটি মোটরসাইকেল রয়েছে। এছাড়া তিনি কৃষি ও ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় দেখিয়েছেন ৫৩ লাখ ৬৪ হাজার ২৬৩ টাকা।

২০১৪ ও ২০১৮ সালের হলফনামায় রমেশ চন্দ্র সেনের স্ত্রী অঞ্জলি রানী সেনের আয় ও অস্থাবর সম্পদ দেখানো হয়নি। এবার তার নামে ব্যবসা থেকে বছরে আয় চার লাখ ৪৫ হাজার টাকা এবং ব্যাংক থেকে ৫৪ হাজার ২২৪ টাকা মুনাফা দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া, দুই হাজার টাকার ইলেকট্রিক সামগ্রী ও আসবাবপত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা দেখানো হয়েছে ২০ লাখ ৫৮ হাজার ২৮৭ টাকা। এর আগে সংসদ সদস্যের স্ত্রীর নামে স্বর্ণালংকার না দেখালেও এবার যুক্ত হয়েছে পাঁচ ভরি অলংকার।

২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামায় রমেশ চন্দ্র সেন হাতে থাকা নগদ অর্থের পরিমাণ দেখিয়েছিলেন ৩৫৯ টাকা। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন কোটি ১০ লাখ এক হাজার ৪৯৭ টাকা ৭৪ পয়সায়। অর্থাৎ নগদ টাকার পরিমাণ বেড়েছে ৮৬ হাজার ৩৫৫ গুণ। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমার পরিমাণ ২০১৪ সালের তুলনায় বেড়েছে তিনগুণ। বর্তমানে জমা দেখানো হয়েছে ৫৩ লাখ সাত হাজার ৬৭ টাকা। ১০ বছর আগে ছিল ১৮ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩ টাকা।

২০১৮ সালের হলফনামায় বন্ড, ঋণপত্র, স্টক এক্সচেঞ্জ তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয়— এমন কোম্পানির শেয়ারের বিপরীতে এক লাখ টাকা বিনিয়োগ দেখানো হয়েছিল। এবার দেখানো হয়েছে ১০ লাখ টাকা।

২০১৪ সালের হলফনামায় রমেশ চন্দ্র সেনের দুটি জিপগাড়ি, একটি মোটরসাইকেল ও একটি ট্রাক্টর থাকার কথা উল্লেখ করেছিলেন। যার মূল্য দেখানো হয়েছিল ৪৬ লাখ ৩৮ হাজার ৮৫৫ টাকা। ২০১৮ সালের নির্বাচনে হলফনামায় এক কোটি ১৭ লাখ ৩৫ হাজার ২৫৪ টাকা মূল্যের তিনটি জিপগাড়ি ও একটি মোটরসাইকেল দেখানো হয়। কিন্তু এবারের হলফনামায় তিনি দুই লাখ ৬১ হাজার টাকা মূল্যের একটি ট্রাক্টর ও ২ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের একটি মোটরসাইকেল দেখালেও জিপগাড়ির কথা উল্লেখ করেননি।

২০১৪ সালের হলফনামায় আবাসিক ও বাণিজ্যিক দালানের কলামটি ফাঁকা থাকলেও বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্টের কলামে ঠাকুরগাঁও ও ঢাকায় একটি করে বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্টের দেখানো হয়েছিল। ২০১৮ সালের হলফনামায় তিন লাখ ৪৮ হাজার টাকা মূল্যের একটি আবাসিক বাড়ি এবং ৬১ লাখ সাত হাজার ১৪৩ টাকার মূল্যে ঢাকার উত্তরায় পাঁচটি ফ্ল্যাট দেখানো হয়। এবার রমেশ চন্দ্র সেনের নামে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় তিন লাখ ৪৮ হাজার টাকার মূল্যের বাড়ি, ঢাকার উত্তরায় ২৪ লাখ ৩৮ হাজার ৬৯০ টাকা মূল্যের ৮ শতাংশ জমির ওপর দোতলা বাণিজ্যিক ভবন দেখানো হয়েছে। যার নির্মাণ খরচ দেখানো হয়েছে ৬০ লাখ টাকা।

গত ৩০ নভেম্বর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন রমেশ চন্দ্র সেন। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামার সঙ্গে দশম ও নবম সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

রমেশ চন্দ্র সেন এবার একটি উপনির্বাচনসহ ষষ্ঠ দফায় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি হলফনামায় পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন কৃষি ও ব্যবসা। বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক পাস রমেশ চন্দ্র সেনের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই।

এ জাতীয় আরও খবর

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না

আপেল সাইডার ভিনেগার খাওয়ার আগে যা জানা জরুরি

ভেনিস ও টরন্টোর পর এবার লন্ডন উৎসবে বাংলাদেশের এই সিনেমা

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ-জ্বালানি সহায়তা নিয়ে যা বলল ভারত

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কোনো আপডেট নেই : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী