,

রায়েরবাজার থেকে কামরাঙ্গীরচরে হবে ৮ লেনের সড়ক

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ‘ইনার সার্কুলার রিং রোডের রায়েরবাজার স্লুইস গেট হতে লোহার ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তার উন্নয়ন’ শীর্ষক আট লেন সড়ক নির্মাণ প্রকল্প।

মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় এ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় অন্যদের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা মহানগরীর ভেতরে যানজট নিরসনে সরকারের সংশোধিত কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনায় ইনার সার্কুলার রিং রোডের উন্নয়নের প্রস্তাবনা রয়েছে। সে প্রস্তাবনার আলোকেই সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে রায়েরবাজার স্লুইস গেট থেকে লোহার ব্রিজ পর্যন্ত বিদ্যমান সড়কটিকে আট লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় ইনার সার্কুলার রিং রোডের রায়েরবাজার স্লুইসগেট থেকে লোহার ব্রিজ পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার অংশে আট লেনের সড়ক নির্মাণ করা হবে। যার মধ্যে মাঝের দুই লেন করে চার লেনের এক্সপ্রেসওয়ে এবং দুই পাশে দুই লেন করে সার্ভিস সড়ক নির্মাণ করা হবে। ফলে বর্তমানে বিদ্যমান ২০ ফুট প্রশস্ততার সড়কটি ১৪০ ফুটে উন্নীত হবে। এছাড়া সড়কের প্রতি পাশে পাঁচ ফুট করে উভয় পাশে মোট ১০ ফুট প্রশস্ততার ১০ কিলোমিটার ফুটপাত ও ১০ কিলোমিটার আরসিসি ড্রেন নির্মাণ করা হবে। সেজন্য ফুটপাতসহ অতিরিক্ত ১৩০ ফুট সড়ক উন্নয়নে বিদ্যমান গড় আট ফুট গভীরতার রাবিশ (আবর্জনা) অপসারণ করতে হবে, যা পরে বালু ভরাটের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর সড়ক নির্মাণ করা হবে।

এছাড়া এই সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সড়কের উভয় পাশে আট কিলোমিটার গার্ডওয়াল ও রিটেইনিং ওয়াল, তিনটি ভেহিক্যুলার ওভারপাস, তিনটি ফুটওভারব্রিজ, ছয়টি যাত্রী ছাউনি ও বাস-বে এবং তিনটি অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র (এসটিএস) নির্মাণ করা হবে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে ৫৬৫টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ও আটটি টাওয়ার স্থানান্তর বাবদ ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এসব বৈদ্যুতিক খুঁটি ও টাওয়ার স্থানান্তরের জন্য ডিপিডিসিকে ১২০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হবে।

আট কিলোমিটার গার্ডওয়াল ও রিটেইনিং ওয়াল, তিনটি ভেহিক্যুলার ওভারপাস, তিনটি ফুটওভারব্রিজ, ছয়টি যাত্রী ছাউনি ও বাস-বে, ১০ কিলোমিটার ফুটপাত, ১০ কিলোমিটার আরসিসি ড্রেন নির্মাণের জন্য ৪০০ কোটি টাকা, ২২ জন পরামর্শকসহ ৩৩ জনের জন্য ৩০ মাসে ১৪ কোটি টাকা এবং ৯০০টি এলইডি বাতি স্থাপনে সাড়ে সাত কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। প্রকল্পের উল্লিখিত অনুষঙ্গ বাদে ১৪০ ফুট প্রশস্ততার পাঁচ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সড়কের নির্মাণে ব্যয় রাখা হয়েছে ৩৮৯ কোটি টাকা।

প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে যানবাহনগুলো সার্ভিস সড়ক থেকে এক্সপ্রেসওয়েতে এবং এক্সপ্রেসওয়ে থেকে সার্ভিস সড়কে প্রবেশ করতে পারবে। এতে করে সড়কের পার্শ্ববর্তী এলাকার যানবাহনগুলোও এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের সুবিধা পাবে। তাছাড়া সড়কের অ্যালাইনমেন্টে তিনটি ওভারপাস রাখা হয়েছে। এতে করে পার্শ্ববর্তী এলাকার যানবাহনগুলো এক্সপ্রেসওয়ের নিচ দিয়ে পারাপার করতে পারবে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না

আপেল সাইডার ভিনেগার খাওয়ার আগে যা জানা জরুরি

ভেনিস ও টরন্টোর পর এবার লন্ডন উৎসবে বাংলাদেশের এই সিনেমা

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ-জ্বালানি সহায়তা নিয়ে যা বলল ভারত

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কোনো আপডেট নেই : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা-দিল্লি কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন

ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টায় ১৩৩ অভিযান