শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক নাদিম হত্যা মামলায় ৯ আসামি রিমান্ডে

news-image

অনলাইন ডেস্ক : জামালপুরের সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম হত্যা মামলার ৯ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের হেফাজতে দিয়েছেন আদালত। আসামিদের ৫ দিন করে রিমান্ড চাওয়া হলেও জামালপুর জেলা আদালতের বিচারক চার আসামিকে চার দিন ও পাঁচ আসামিকে তিন দিন করে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন।

আজ রোববার দুপুরে জামালপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারক তানভীর আহম্মেদ এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আসামিদের মধ্যে বকশীগঞ্জ উত্তর বাজার এলাকার মো. গোলাম কিবরিয়া ওরফে সুমন (৪৩), মালিরচর নয়াপাড়া এলাকার মো. মিলন (২৫), নামাপাড়া এলাকার মো. তোফাজ্জল (৪০) ও একই এলাকার মৃত আজিজুল হকের ছেলে মো. আয়নাল হককে (৫৫) চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। অন্যদিকে সাধুরপাড়া এলাকার মো.কফিল উদ্দিন (৫৫), দক্ষিণ কুতুবের চর গ্রামের মো.ফজলু মিয়া (৩৫) ও মো.শহিদ (৪০), মোল্লাপাড়া মসজিদপাড়া গ্রামের মো.মকবুল (৩৫), সর্দারপাড়া মেরুরচর গ্রামের মো. ওহিদুজ্জামানকে (৩০) তিন দিন করে রিমান্ডে দেওয়া হয়।

অন্যদিকে প্রধান আসামি সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম ওরফে বাবুসহ (৫০) চারজনকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বকশীগঞ্জ থানা থেকে ওই চারজনকে জেলা আদালতে পাঠানো হয়।

অন্য তিন আসামি হলেন রেজাউল করিম (২৬), মো. মনিরুজ্জামান ওরফে মনিরুল (৩৫) ও জাকিরুল ইসলাম (২৮)। চারজনের মধ্যে রেজাউল করিমকে বগুড়া থেকে এবং বাকি তিনজনকে পঞ্চগড় থেকে র‌্যাব গ্রেপ্তার করে।

গত বুধবার রাতে পেশাগত কাজ শেষে রাত ১০টার দিকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম। পথে বকশীগঞ্জ পাটহাটি এলাকায় পৌঁছালে সামনে থেকে আঘাত করে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে তাকে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর ১০ থেকে ১২ জন দুর্বৃত্ত তাকে সড়ক থেকে মারধর করতে করতে টেনে হিঁচড়ে অন্ধকার গলিতে নিয়ে ফেলে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় নাদিমকে প্রথমে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নাদিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ৫০ মিনিটের দিকে তার মৃত্যু হয়।