,

দেওরা গানটি এত দ্রুত সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়বে, তা কল্পনাও করিনি

news-image

বিনোদন প্রতিবেদক : সংগীত পরিচালক, গায়ক প্রীতম হাসান। তার সংগীত ক্যারিয়ারে উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় গান। সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে কোক স্টুডিওর নতুন গান ‘দেওরা’। মাত্র দুই সপ্তাহেই গানটি ‘কোক স্টুডিও বাংলার’ ইউটিউব চ্যানেল থেকে দেখেছে দুই কোটি চব্বিশ লাখের মতো শ্রোতা। এ গানের সংগীতায়োজন থেকে শুরু করে ফজলু মাঝি, ইসলাম উদ্দিন পালাকারের সঙ্গে ভোকালও দিয়েছেন। অল্প দিনেই গানের আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তার কারণ কী? এসব বিষয়ে কথা হয় প্রীতম হাসানের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন- তারেক আনন্দ

কোক স্টুডিওর জন্য কাজ করলেন। কাজের কেমন অভিজ্ঞতা ছিল?
কোক স্টুডিওর কাজটা এখন পর্যন্ত আমার কাছে করা সবচেয়ে আনন্দময় কাজ ছিল। যখন আমি গানটা বানাচ্ছিলাম, কখন যে সময় পার হয়ে যেত টেরই পাচ্ছিলাম না। এই গান শুধু আমার গান না। ফজলু মাঝি ভাইয়ের গান, ইসলাম উদ্দিন পালাকার সাহেবের গান। সেখানে আমার রি-কম্পোজ করা, আমাদের সবার গান।

‘আরে হাতে লাগে ব্যথা রে, হাত ছাইড়া দাও সোনার দেওরা রে…’। ‘দেওরা’ গানটি অল্প দিনেই মানুষের মন জয় করে নিয়েছে। গানের কথা মানুষের মুখে মুখে। গানটি নিয়ে এতটা প্রত্যাশা কি ছিল?

অনেক অনেক ভালো লাগছে এ বিষয়গুলো। সত্যি কথা বলতে, আমরা হয়তো মনে করেছিলাম কোক স্টুডিওর অডিয়েন্সরাই শুনবে এ গান। এর বাইরে যেতে পারব কিনা বুঝিনি। গানটি যে এত দ্রুত চারদিকে, গ্রামে-গঞ্জে, দূর দূরান্তেÑ পৃথিবীর সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়বে এটা কল্পনাও করিনি। আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগার হলো ফজলু মাঝির গানটা সবাই শুনছে। গানটি যখন রিলিজ হলো তারপর থেকে ফজলু ভাইয়ের আত্মবিশ^াস এত বেশি বেড়ে গেছে যে, সে এখন ছোট ছোট গান লেখা শুরু করেছে। দেখা গেল সে ধান কাটছে, ধান কাটার পাশাপাশি পাঁচ মিনিটের জন্য যখন গাছের ছায়ায় বসে তখন সেখানে বসেই দুই এক লাইন করে গান লিখে রাখেন।

কোক স্টুডিওর বেশিরভাগ গানের কম্পোজিশন, তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে থাকেন শায়ান চৌধুরী অর্ণব। এ গানের ক্ষেত্রে তার কতটা ভূমিকা ছিল?

‘দেওরা’ গান করার জন্য অর্ণব ভাই আমাকে স্বাধীনতা দিয়েছিল। তবে বেশ কিছু ইনপুট তিনি এই গানে দিয়েছেন। যেমন ইসলাম উদ্দিন পালাকার সাহেবের ইনপুট এবং সারি গান থেকে এটাকে পালা গানে রূপান্তর করাটা ওনার আইডিয়া ছিল। যেটার কারণে গানটা এত ভালো হয়েছে। আমাকে বলার পরই বিশ্বাস করতে পারিনি। অর্ণব ভাই গ্রেটফুল।

আপনার ক্যারিয়ারে বেশ কিছু জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। নতুন গান করতে গিয়ে কোনো চাপ অনুভব করেন?

চাপ কখনো ছিল না এবং চাপ থাকবেও না। কারণ আমি কখনোই একই ধরনের গান করার চেষ্টা করি না। শ্রোতারাও আমার প্রতি একরকম প্রত্যাশা করে না। আমার কাছে তাদের প্রত্যাশাই থাকে ডিফারেন্ট কিছু। আমিও চাই তারা এই প্রত্যাশাটা রাখুক। আমি সব সময় এমনই থাকব। ডিফারেন্ট কিছু করার চেষ্টা করব। যাতে আমার শ্রোতারা আনন্দ নিয়ে গান শোনে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না