,

ধানমন্ডির ৩০০ কোটি টাকার সেই বাড়ি সরকারের: আপিল বিভাগ

news-image

অনলাইন ডেস্ক : ধানমন্ডির ৩শ কোটি টাকা সমমূল্যের বাড়ি নিয়ে এস নেহাল আহমেদ নামের এক ব্যক্তির করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। সেই সঙ্গে এ সংক্রান্ত রিভিউ আবেদনও নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর ফলে ৩০০ কোটি টাকার ওই বাড়ি সরকারের ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল থাকল বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আজ সোমবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এ রায় দেন। একই সঙ্গে তথ্য গোপন করে এই বাড়ির মালিকানা দাবি করে রিট দায়ের করায় সাংবাদিক আবেদ খানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশও বহাল রেখেছেন আদালত।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।

এর আগে রাজধানী ধানমন্ডির ২ নম্বর রোডের ২৯ নম্বর বাড়িটি সরকারের বলে রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে এস নেহাল আহমেদ লিভ টু আপিল করেন। সেই আপিল খারিজ করে সোমবার হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে রায় দেন আপিল বিভাগ।

আপিল বিভাগ বলেন, এখানে জালিয়াতি হয়েছে এটা প্রমাণিত। এর পেছনে একটি জালিয়াতি চক্র কাজ করেছে। একটি স্বাক্ষরের সঙ্গে আরেকটি স্বাক্ষরের কোনো মিল নেই। এ ছাড়া কোনো প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি আইনজীবীরা।

এর আগে কোর্ট অব সেটেলমেন্টে করা দুই মামলার মূল নথি তলব করেছিলেন আপিল বিভাগ। রাষ্ট্রপক্ষকে এই সংক্রান্ত নথি ১৪ মের মধ্যে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। নথি দাখিলের পর শুনানি শেষে আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল খারিজ করে দেন।

তার আগে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ২ নম্বর সড়কের ২৯ নম্বর বাড়িটি (তৎকালীন ১৩৯/এ) পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকা থেকে বাদ দিতে কোর্ট অব সেটেলমেন্ট যে রায় দিয়েছিলেন, তা বাতিল ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্তির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মালিকানা দাবি করে সাংবাদিক আবেদ খানের করা রিট খারিজ করে দেন আদালত।

বাড়ি নিয়ে পৃথক দুটি রিট নিষ্পত্তি করে গত বছরের ২১ নভেম্বর ওই রায় দেওয়া হয়। পরে বাড়ির অপর দাবিদার এস নেহাল আহমেদ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন।

১৯৭২ সালে বাড়িটির তৎকালীন মালিক ছেড়ে চলে যাওয়ার পর সরকার তা পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করে। তবে উত্তরাধিকার হিসেবে মালিকানা দাবি করে আবেদ খানসহ তার পরিবারের ৯ সদস্য ১৯৮৯ সালে কোর্ট অব সেটেলমেন্টে মামলা করেন। ওই মামলায় ১৯৯২ সালে রায় দেন আদালত।

রায়ে বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্তি সঠিক বলা হয়। এরপর বাড়িটিকে পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আবেদ খান ২০১৫ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালে রুল জারি করা হয়।

অন্যদিকে এস নেহাল আহমেদ নামের এক ব্যক্তি একই সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে কোর্ট অব সেটেলমেন্টে ১৯৯৬ সালে আরেকটি মামলা করেন। ওই মামলায় ১৯৯৭ সালে রায় দেন আদালত। রায়ে বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকা থেকে অবমুক্ত করতে এবং নেহাল আহমেদ বাড়ির দখল পেতে পারেন বলে উল্লেখ করা হয়।

পরবর্তী সময়ে কোর্ট অব সেটেলমেন্টের দেওয়া রায়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সরকারের পক্ষে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালে রিট করে। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। পৃথক রুল নিষ্পত্তি করে গত বছরের ২১ নভেম্বর রায় দেওয়া হয়।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না