,

‘মাধুরী’তে মুগ্ধ সবাই

news-image

জাহিদ ভূঁইয়া
তার মনকাড়া হাসি, মায়াবী চোখ, নাচের মুদ্রা আর অভিনয়ে মুগ্ধ অগণিত ভক্ত। বয়সের ঘড়িটার কাঁটাগুলো আশ্চর্য জাদুমন্ত্রবলে যেন আটকে রেখেছেন। পৃথিবীটাই বুড়িয়ে যাচ্ছে, তবু বয়স বাড়ছে না তার। বলছি বলিউড ডিভা মাধুরী দীক্ষিতের কথা। তাকে নিয়ে চলচ্চিত্রের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত মেয়েদের উদ্দেশে শাহরুখ খান বলেছিলেন, ‘তোমরা অনেক সুন্দরী হতে পারবে। কিন্তু কখনই মাধুরী হতে যেও না। কারণ ওটা হওয়া যায় না। ওর সৌন্দর্য ঈশ্বরের আশীর্বাদ।’ আর ভক্তরা তো প্রায়ই মন্তব্য করেন, ‘মাধুরী কখনো পুরনো হবেন না।’ আসলেই তাই। ৫৫ পূর্ণ করে আজ ৫৬ বছরে পা রাখলেও তিনি সবার কাছে এখনো চিরসবুজ। বয়স যেন তার কাছে কেবলই একটা সংখ্যা। একবার এক সাক্ষাৎকারে মাধুরী বলেছিলেন, ‘আপনার বয়স ১০ হোক কিংবা ১০০ প্রতিভা তো আর বুড়িয়ে যাবে না। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিভা বরং আরও পরিণত হয়।’

১৯৬৭ সালের আজকের দিনে মুম্বাইতে জন্মগ্রহণ করেন মাধুরী দীক্ষিত। বাবা শংকর দীক্ষিত ও মা সঞ্চলতা। এক ভাই ও তিন বোনের মধ্যে মাধুরী ছিলেন সবার ছোট। মুম্বাই ইউনিভার্সিটিতে মাইক্রোবায়োলজি বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। ১৯৮৪ সালে ‘অবোধ’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় মাধুরীর। তবে দর্শক মহলে তিনি বিপুল সাড়া ফেলেন ১৯৮৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘তেজাব’-এর মাধ্যমে। এ সিনেমা দিয়েই মাধুরী প্রথমবারের মতো ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে সেরা অভিনেত্রীর নমিনেশন পান। এর পর থেকে তিন যুগের বেশি সময় উপমহাদেশীয় চলচ্চিত্রপ্রেমীদের আকৃষ্ট করে রেখেছেন। তার সৌন্দর্যে ভক্ত-দর্শকদের মতো মুগ্ধ বলিউড তারকারাও। বিশেষ করে মাধুরীর হাসি কোটি পুরুষের কাছেই আরাধ্য। সৌন্দর্যের পাশাপাশি অভিনয় ও নাচ দিয়ে মাধুরী নিজেকে ভারতীয় দর্শকের কাছে দেবীরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে ‘দিল’, ‘সাজন’, ‘আনজাম’, ‘কয়লা’, ‘খলনায়ক’, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘হাম তুমহারে সনম’, ‘দেবদাস’ প্রমুখ।

খ্যাতি ও সাফল্যের শীর্ষে থাকা সত্ত্বেও ১৯৯৯ সালে বিয়ে করে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান মাধুরী। ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ডা. শ্রীরাম নেনের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন বলিউডের ‘ধক ধক গার্ল’। বলাই বাহুল্য, মাধুরীর এই পদক্ষেপে চমকে গিয়েছিল বলিউড। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে একাধিকবার তিনি সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন। পাশাপাশি হিন্দি চলচ্চিত্রে অনবদ্য ভূমিকার জন্য ২০০৮ সালে ভারত সরকারের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার হিসেবে তাকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। তবে অবাক করার বিষয় হলো মাধুরী অভিনেত্রী হতে চাননি! নিজের ক্যারিয়ারে হতে চেয়েছিলেন একজন মাইক্রোবায়োলজিস্ট। ভাগ্যিস অভিনেত্রী হয়েছিলেন। না হয় মাধুরীর মতো অমন রূপবতীর প্রাণ ভোলানো অভিনয় কোথায় পেত দর্শক?

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না