,

বাংলা সিনেমা দেখে কেউ যেন নাক না সিটকায়

news-image

বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূজা চেরি। ঈদে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘জ্বীন’। এর মাধ্যমে প্রথমবার ভৌতিক গল্পের সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। নাদের চৌধুরী পরিচালিত এ সিনেমায় তার বিপরীতে আছেন আব্দুর নূর সজল। এই সিনেমা ও বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয় পূজার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন- ফয়সাল আহমেদ

ভৌতিক গল্পের সিনেমায় প্রথম অভিনয় করলেন। অভিনয়ের সময় কেমন লেগেছিল?

ভৌতিক সিনেমার প্রতি একটা আলাদা ভালো লাগা ছিল। বিভিন্ন সময় তা বলেছিও। এবার ঈদে সেই ভালো লাগার ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। আমি ভীষণ খুশি, আমার এটা স্বপ্নপূরণও। ছবিটি তৈরি হয়েছে গ্রামীণ আবহে, যেখানে জ্বীনকে কেন্দ্র করে অতিপ্রাকৃত ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। এই ধরনের ছবি আমাদের এখানে আর হয়নি।

তা হলে কি গল্পের জন্যেই দর্শক আগ্রহ বেশি বলে মনে করছেন?

মূলত গল্প ভালো হলেই সিনেমা দর্শক দেখে। জ¦ীন একটি ভৌতিক গল্পের ছবি। শুটিংয়ের সময়ে মেকআপ ও ডাবিংয়ে সংলাপ দিয়ে সেই আবহ তৈরি করা হয়েছে। তবে ভিএফএক্স ব্যবহারের কারণে দর্শক পেয়েছে হরর ছবির আসল স্বাদ। সত্যি বলতে আমরা ছোট থেকেই এসব গল্প শুনে শুনে বড় হয়েছি। তাই বড়পর্দায় এ নিয়ে আমাদের আগ্রহের জায়গা আছে। গল্পই এর প্রাণশক্তি। গল্প ভালো হলে দর্শকের ছবি দেখার আগ্রহ বাড়ে।

সাড়া পাচ্ছেন কেমন?

অসাধারণ। সবাই জানেন জ্বীন সিঙ্গল স্ক্রিনে মুক্তি দেওয়া হয়নি। কেবল সিনেপ্লেক্সেই মুক্তি পেয়েছে। কম হলে মুক্তি পেয়েও দর্শকের চাহিদার কেন্দ্রে আছে এটি। সিনেপ্লেক্সে ছবিটির প্রতি দর্শকের আগ্রহ দেখে তো আমি অবাক! সত্যিই মুগ্ধ, দর্শকের প্রতি কৃতজ্ঞ।

সিনেমার গল্প কি পরিবর্তন হাওয়া জরুরি বলে আপনি মনে করেন?

আগে নিজেদের রুচির পরিবর্তন করতে হবে। এখন মানুষের রুচির পরিবর্তন হয়েছে। তারা একঘেয়েমি পছন্দ করে না। আমরাও যদি গতানুগতিক সিনেমা দিয়েই চলি তা হলে আমাদের চেঞ্জ আসবে না। তাই দর্শকের রুচি বদলের জন্য আমাদেরও ভূমিকা রাখতে হবে। নিজেদেরই রুচির পরিবর্তনটা করতে হবে। শুধু অ্যাকশন মার মার-কাট কাট সিনেমা নয়। একটু অন্য ঘরানার সিনেমা দর্শকদের উপহার দিতে হবে।

হলে গিয়েছিলেন?

ঈদের দিন থেকেই সিনেপ্লেক্সগুলোতে ঘুরছি। ছবিতে যারা অভিনয় করেছি, সবাই মিলে দর্শকের সঙ্গে ছবিটি দেখছি। হলে হলে ঘুরে দর্শক প্রতিক্রিয়া নিজের চোখে দেখেছি।

এক যুগ আগে আপনি আর সজল একটি নাটকে অভিনয় করেছেন। আপনি ছিলেন শিশুশিল্পী আর সজল পরিণত বয়সের অভিনয়শিল্পী। এবার আপনি তার নায়িকা। কেমন লাগছে?

সজল ভাই নিজেকে ধরে রেখেছেন। আমিও শিশুশিল্পী থেকে বড় হয়ে তার বিপরীতে নায়িকা হতে পেরেছি- এটা দুজনেরই কৃতিত্ব। সজল ভাই সেটে সারাক্ষণ আমাদের মাতিয়ে রাখতেন। তিনি সেটে এলে কারও যদি মন খারাপও থাকে, তবে বেশিক্ষণ মন খারাপ করে থাকতে পারতেন না। একদিন বাসা থেকে বের হওয়ার সময় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, আমি শুটিংয়ে আর হাসাহাসি করব না। কিন্তু এই মানুষটা আমাকে হাসিয়েই ছাড়লেন। আর একজন অভিনেতা হিসেবে আমার কাছে একশতে একশ।

অনেকের ছবিই ঈদে মুক্তি পেয়েছে। তাদের সবার সঙ্গে আপনার ব্যক্তি সম্পর্ক ভালোই। প্রতিযোগিতা আছে কি?

একদমই না। তারা সবাই আমার সিনিয়র। আমার চেয়ে অনেক বেশি গুণী। আমি তাদের কাছ থেকে শিখছি। আমি চাই বাংলা সিনেমা সবাই দেখুক। বাংলা সিনেমা দেখে কেউ যেন নাক না সিটকায়। আমি বলব ঈদের সব সিনেমা চলুক। মানুষ দেখুক।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না