,

‘আমার মাথার উপরে আগুন লেগে গিয়েছিল’

news-image

বিনোদন প্রতিবেদক : গুণী প্রবীণ অভিনেতা আবুল হায়াত। অভিনয় দিয়ে তিনি জয় করে নিয়েছেন দর্শকদের হৃদয়। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি নাট্যকার ও নির্দেশকও হিসেবে দারুণ জনপ্রিয়। মঞ্চ, টিভি নাটক, বিজ্ঞাপন কিংবা সিনেমায় তার উপস্থিতি দর্শককে মুগ্ধ করে। সম্প্রতি গুণী এই অভিনেতা কাজ করেছেন দুরন্ত টিভির ঈদ বিশেষ ধারাবাহিক নাটকে। নাটম ‘হৈ হৈ হল্লা’র সিজন ২-তে সফদর ডাক্তার চরিত্রে। পার্থ প্রতিম হালদারের পরিচালনায় এটি প্রচার হবে ঈদের দিন থেকে দুপুর ২টায় ও রাত সাড়ে ৮টায়। ‍নাটক ও চরিত্রটি নিয়ে কথা বলেছেন জীবন্ত এই কিংবদন্তি।

আপনার চরিত্রের নাম ‘সফদার ডাক্তার’। এটা কি কবি হোসনে আরার সেই বিখ্যাত কবিতা ‘সফদার ডাক্তার, মাথা ভরা টাক তার’ চরিত্রটি ভেবে করা?

হ্যাঁ, তা বলতেন পারেন। চরত্রিটি সেই বিখ্যাত কবিতা থেকে কিছুটা নেওয়া হয়েছে।

সফদার দাদু চরিত্রটি নিয়ে কিছু বলবেন?

আসলে মানুষের বয়স যত বাড়ে তাদের কর্মগুলো, চিন্তা-ভাবনাগুলো তত পেছন দিকে চলে যেতে থাকে। সেরকম একটি ব্যক্তি সফদার দাদু। তার বয়স যত বেড়েছে, তার জীবনের একাকিত্ব ভুলে সে শিশুদের সঙ্গে মিশে একেবারে শিশু হয়ে যায়। শিশুদের সঙ্গে সে আনন্দে মেতে থাকে। সফদার দাদু চরিত্রটি আমি খুব এনজয় করেছি।

 

এতগুলো শিশুশিল্পীদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

শিশুদের সঙ্গে যে ইন্টারঅ্যাকশন সেটাতে আমি খুব আনন্দ পেয়েছি। ওরা যা করে তাতে কোন ভণিতা নেই। শিশুরা জলের মত স্বচ্ছ, ওরা যা বলে তা-ই বোঝায়। এছাড়া শিশুদের সঙ্গে আমার কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে, সেই হিসেবে এই কাজটিও করতে গিয়ে খুব আনন্দ পেয়েছি।

‘হৈ হৈ হল্লা’ ধারাবাহিক নাটকের বিশেষ এই আয়োজন সম্পর্কে কি বলুন?

এই নাটকের চিন্তা-ভাবনাটাই অসাধারণ। কারণ আমাদের দেশে এই ধরণের কাজের চর্চা হতে তেমন দেখা যায় না। যেটা আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে আমরা দেখি। তাদের সব অনুষ্ঠান তারা সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে করে। তাদের প্রতিটা ধারাবাহিকেও তারা সব উৎসবকে অন্তর্ভুক্ত করে। যা আমাদের দেশে খুব একটা দেখা যায় না। এক্ষেত্রে উৎসবকে কেন্দ্র করে দুরন্ত’র এই আয়োজন সত্যি ভালো লেগেছে।

কাজটি করতে গিয়ে মজার কোন অভিজ্ঞতা…

বিশেষ কোন মজার ঘটনা বলা মুশকিল। কারণ প্রতিদিনই কোনো না কোনো মজার অভিজ্ঞতা হতো। একটা ভীতিকর ঘটনা ঘটেছিল, শট নেওয়ার সময় আমার মাথার উপরে আগুন লেগে গিয়েছিল! এটি হয়েছে লাইটে। যা ঠিক আমার মাথার উপরেই ছিল। সঙ্গে সঙ্গে বড়রা সবাই আমাকে যেভাবে আগলে রাখল, সেভাবে শিশুরাও দৌড়ে না পালিয়ে বরং আমাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে ছিল। কাজটি করতে গিয়ে আমরা সবার পরিবারের অংশ হয়ে গেছি।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না