,

র‌্যাব হেফাজতে জেসমিনের মৃত্যু,যুগ্ম সচিব এনামুলের কললিস্ট যাচাই করছে গোয়েন্দারা

news-image

নওগাঁর ভূমি অফিসের কর্মচারী সুলতানা জেসমিন র‌্যাব হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। জেসমিনকে আটক ও তার মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করছে র‌্যাবের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি। র‌্যাব সদরদপ্তর থেকে গঠিত এ কমিটি ঘটনাস্থল হিসেবে নওগাঁ ও রাজশাহী পরির্দশন করেছে।

র‌্যাব জয়পুরহাট ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানির প্রধান মেজর মোস্তফা জামান ও সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ রানাসহ ১১ র‌্যাব সদস্যকে গতকাল শুক্রবার রাজশাহীতে র‌্যাব-৫-এর কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে র‌্যাবের তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটির সদস্যরা তাদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেছেন।

র‌্যাবের তদন্ত কমিটি জয়পুরহাট ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-২ (সিপিসি-২) প্রধান মেজর মোস্তফা জামানের কাছে মামলা ছাড়াই মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে সরকারি কর্মচারী জেসমিন সুলতানাকে আটক করার কারণ জানতে চায়।

তদন্ত কমিটি জানতে পেরেছে, ওই নারীকে আটকের বিষয়ে জয়পুরহাট সিপিসি-২-এর প্রধানের কোনো নির্দেশনা ছিল না। তিনি অসুস্থ হওয়ার পর জয়পুরহাট সিপিসি-২ প্রধান বিষয়টি জানতে পারেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত যুগ্মসচিব এনামুল হকের কথাতেই র‌্যাব জেসমিন সুলতানাকে আটক করে।

এর আগে গত ১৯ ও ২০ মার্চ যুগ্মসচিব এনামুল হক জেসমিনের সন্ধানে নওগাঁয় গিয়েছিলেন। যুগ্ম-সচিবের অভিযোগ, তার ফেসবুক আইডি হ্যাক করে একটি চক্র চাকরি দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

জানা গেছে, র‌্যাবের তদন্ত কমিটি সিসি ক্যামেরার বেশ কয়েকটি ফুটেজ জব্দ করেছে। এর মধ্যে নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে র‌্যাবের গাড়িতে করে জেসমিনকে কীভাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেই ভিডিও ফুটেজ জব্দ করেছে। নওগাঁর মুক্তির মোড় থেকে জেসমিনকে গাড়িতে তোলার পর একটি কম্পিউটারের দোকানে নিয়ে যায় র‌্যাব সদস্যরা। ওই দোকান থেকে বের হওয়ার পর জেসমিন হেঁটে গাড়িতে ওঠার দৃশ্যও ভিডিও ফুটেজে ধরা পড়েছে। ওই সময় যুগ্ম সচিবের সরকারি গাড়িও দেখা গেছে।

সূত্রটি আরও জানায়, যুগ্মসচিব এনামুল হকের মোবাইল ফোনের কললিস্ট যাচাই করছে একটি গোয়েন্দা সংস্থা। এমনকি জেসমিন সুলতানার মোবাইল ফোনের কল রেকর্ডিং যাচাই করা হচ্ছে। জেসমিন সুলতানার সঙ্গে ভিন্ন নম্বর দিয়ে যুগ্ম সচিবের একাধিকবার মোবাইল ফোনে কথোপকথন হয়েছে। এসব কথায় জেসমিনের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দা সংস্থা।

গত ২২ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নওগাঁ শহরের মুক্তি মোড় এলাকা থেকে সুলতানা জেসমিনকে আটক করে র‌্যাব সদস্যরা। একদিন পর রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের যুগ্ম সচিব এনামুলক হক রাজপাড়া থানায় আল আমিন ও সুলতানা জেসমিনকে আসামি করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন।

২৪ মার্চ সকালে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জেসমিনের মৃত্যু হয়। জেসমিন নওগাঁ সদর উপজেলার চণ্ডীপুর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

জেসমিনের মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে হাইকোর্টে জমা দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। তবে আজ শনিবার পর্যন্ত ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রস্তুত হয়নি বলে জানা গেছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না