,

অগ্নিসন্ত্রাসের মূলহোতা কিন্তু আওয়ামী লীগ নিজেই: ফখরুল

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপি মহাসচিক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেছেন, অগ্নিসন্ত্রাসের মূলহোতা কিন্তু আওয়ামী লীগ নিজেই।

বুধবার বিকেলে তিনটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শেষে সরকারের মন্ত্রী-নেতাদের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মহাসচিব এই অভিযোগ করেন।

বিকেল ৪টায় মাইনরিটি জনতা পার্টি, বিকাল সাড়ে ৪টায় বাংলাদেশ ন্যাপ ও বিকাল ৫টায় সাম্যবাদী দলের সঙ্গে সংলাপে বসেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চলমান আন্দোলনের যে ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছে এবং তার যে গতি প্রতিদিন বাড়ছে এটাতে ভীত হয়ে তারা (ক্ষমতাসীনরা) আগের যে বিষয়গুলো সেগুলোকে নিয়ে আসছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সত্য কথা হচ্ছে, এই যে অগ্নিসন্ত্রাসের মূলহোতা কিন্তু আওয়ামী লীগ নিজেই, সরকার নিজেই’।

তিনি বলেন, ‘সে সময়ে যতগুলো ঘটনা ঘটেছে প্রত্যেকটি ঘটনায় দেখা যাচ্ছে যে, আওয়ামী লীগের লোকেরাই অগ্নিসন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত। বাসের আগুনের ব্যাপারটা নিশ্চয় মনে আছে আপনাদের। যেটা দেখা গেল যে, বাসের মালিক হচ্ছেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির প্রধান এবং চৌদ্দগ্রামে যেটি ঘটেছিল বেগম খালেদা জিয়াকে আসামি করে যে মামলাগুলো দেওয়া হয়েছে সব কিছুর মূলে দেখা যায় যে, ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামী লীগের লোকেরাই জড়িত’।

বিএনপি কোনো সন্ত্রাসে জড়িত নয় দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা একটা মুক্ত লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি, আমরা নির্বাচন করা দল। কখনো অগ্নিসন্ত্রাস বা সন্ত্রাস করে আমরা ক্ষমতায় যাইনি অতীতে, আমরা এখনো যেতে চাই না’।

তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, এতগুলো সমাবেশ হয়েছে, প্রত্যেকটা সমাবেশে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপরে কী রকম অত্যাচার-নির্যাতন হয়েছে। কিন্তু আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন যে, আমাদের দল থেকে কোনো রকমের কোনো সন্ত্রাস বা উস্কানি দেওয়া হয়নি। তারাই উস্কানি দিয়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করতে চাইছে’।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, তারা এই চলমান আন্দোলনকে আবার ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য, নস্যাৎ করার জন্য এ পদ্ধতি বেছে নিয়েছে। কিন্তু তাতে কাজ হবে না। জনগণ দেখছে প্রতিমুহূর্তে কারা কি করছে না করছে।

‘কোনো ছাড় দেওয়া হবে না’ সরকারের মন্ত্রীদের এমন বক্তব্যের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ছাড় কেউ কাউকে দেয় না তো। দাবি আদায় করে নিতে হয়। আর ওনারা যে বডি ল্যাংগুয়েজে কথা বলছেন- ওটা কিন্তু থাকে না। শেষ পর্যন্ত এ ধরনের ফ্যাসিস্ট সরকারের দেখা যায় যে, তাসের ঘরের মতো সমস্ত পড়ে যায়। ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এরশাদের একই ধরনের কথাবার্তা ছিল, বডি ল্যাংগুয়েজ ছিল। ৬ তারিখে কিন্তু ধপাস’।

সংলাপে মাইনরিটি জনতা পার্টির চেয়ারম্যান সুকৃতি কুমার মন্ডল, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান এম এন শাওন সাদেকী এবং বাংলাদেশ সাম্যবাদী দলেরে সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নুরুল ইসলাম নিজ নিজ দলের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

বিএনপির মহাসচিবের সঙ্গে ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

সরকার পতন আন্দোলনের কর্মকৌশল চূড়ান্ত করতে গত সেপ্টেম্বর থেকে বিএনপি মহাসচিব ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপ শুরু করেন।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না