,

মহানায়কদের মঞ্চে ‘খলনায়ক’ আশরাফুল

news-image

 

স্পোর্টস ডেস্ক :শ্রীলঙ্কায় জন্ম হয়েছে একাধিক কিংবদন্তি ক্রিকেটারের। অর্জুনা রানাতুঙ্গা, অরভিন্দ ডি সিলভা, সনাৎ জয়াসুরিয়া, মাহেলা জয়াবর্ধনে ও কুমার সাঙ্গাকারা লঙ্কান ক্রিকেট তথা পুরো ক্রিকেট বিশ্বের কিংবদন্তি।

একেক সময় একেক ক্রিকেটার লঙ্কান ক্রিকেটারদের নেতৃত্ব দিয়েছেন, দলকে সাফল্য এনে দিয়েছেন। তাদের পারফরম্যান্স ক্রিকেটকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। কলম্বোর সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ড ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা একটি মাঠে। এ মাঠে জড়িয়ে আছে অনেক স্মৃতি, অনেক রেকর্ড। যা এখনও লোকমুখে স্মরণীয়।

২০০৬ সালে এ মাঠে কুমার সাঙ্গাকারা ও মাহেলা জয়াবর্ধনে ৬২৪ রানের জুটি গড়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। যা এখনও ক্রিকেট ইতিহাসে যেকোনো উইকেটে রেকর্ড রানের জুটি। শুধু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই নয় প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও এটি বিশাল এক রেকর্ড। ১৯৯২ সলে শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হেরেছিল মাত্র ১৬ রানে। ১৮১ রানের টার্গেটে লঙ্কানরা করতে পেরেছিল মাত্র ১৬৫ রান। সে সময়ে ওই হার ছিল টেস্ট ক্রিকেটে সবথেকে ‘সরু’ পরাজয়। ম্যাচে ১৩ বল করে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন শেন ওয়ার্ন। ওই ম্যাচের পর বেশ আলোচনায় এসেছিলেন কিংবদন্তি এ লেগ স্পিনার।

ব্যাটিংয়ে এ মাঠে সেঞ্চুরি করেছেন প্রায় সব মহানায়কেরা। সর্বোচ্চ ৩৭৪ রান মাহেলা জয়াবর্ধনের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৮৭ কুমার সাঙ্গাকারার। এছাড়া ব্রায়ান লারার ২২১, শচীন টেন্ডুলকারের ২০৩, মারভান আত্তাপাতুর ২০১, সৌরভ গাঙ্গুলীর ১৪৭ ও অরভিন্দ ডি সিলভার ১৪৬ রানের ইনিংস এ মাঠের স্মরণীয় ইনিংসগুলোর মধ্যে অন্যতম।

মাঠটি আক্ষেপ হয়ে থাকবে সনাৎ জয়াসুরিয়ার জন্য। ভারতের বিপক্ষে ক্যারিয়ার সেরা ৩৪০ রানের ইনিংস খেলার পরের ম্যাচে এ মাঠে দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরির সুযোগ ছিল ‘মাতারা হ্যারিকেন’র। কিন্তু মাত্র ১ রানের জন্য পূর্ণ হয়নি ডাবল সেঞ্চুরি।

সাদা পোশাক ছেড়ে রঙিন পোশাকে আসা যাক। রঙিন পোশাকেও এ মাঠে জড়িয়ে আছে ইতিহাস। ওয়ানডে ক্রিকেটের সেরা বোলিং ফিগার এ মাঠ থেকেই পাওয়া। ২০০১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাত্র ১৯ রানে ৮ উইকেট পেয়েছিলেন চামিন্দা ভাস। ওই সময়ে ভাসের তোপে মাত্র ৩৮ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। যা ছিল ওয়ানডে ক্রিকেটের সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর। পরবর্তী শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৫ রানে অলআউট হয়ে নিজেদের রেকর্ড নিজেরাই ভাঙে জিম্বাবুয়ে।

ছোট-বড় শত রেকর্ড ও স্মরণীয় ঘটনার সঙ্গে এ মাঠে উপস্থিত আছে বাংলাদেশের ‘খলনায়কের’ দুষ্প্রাপ্য, দুর্লভ ও গর্বের রেকর্ড। বলছিলাম মোহাম্মদ আশরাফুলের কথা। ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে কলঙ্কিত করা আশরাফুল নিজের অভিষেক ম্যাচে সিংহলীজের এ মাঠে ২০০১ সালে এশিয়ান টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ১১৪ রানের নজরকাড়া ইনিংস খেলেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট সেঞ্চুরি হাঁকানোর রেকর্ড গড়েছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম সেরা এ ব্যাটসম্যান, যা এখনও রেকর্ডবুকে শীর্ষে। নিজের ১৭তম জন্মদিনের মাত্র ১ দিন আগে হাঁকানো সেঞ্চুরির কল্যাণে পুরো বিশ্বের নজর কেড়েছিলেন ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান।

সাঙ্গাকারা, মাহেলা, ভাস, টেন্ডুলকার ও ব্রায়ান লারাদের মত মহানায়কদের মঞ্চে স্বগৌরবে আশরাফুলের উপস্থিতি থাকলেও নামের পাশে যোগ হয়েছে ‘খলনায়ক’ উপাধি!

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে