,

শিশুটির শেষ ইচ্ছা পূরণ!

facebook_nocredit_1745আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মৃত্যুপথযাত্রী আমেরিকার একটি শিশুর ‘বিখ্যাত’ হওয়ার ইচ্ছা পূরণ করতে শুরু করেছে চীনের বাসিন্দারা।

ক্যান্সার আক্রান্ত ডোরিয়ান মারের শেষ ইচ্ছা, সে যেন চীনে পরিচিত হয়ে ওঠে। কারণ সেখানে বিখ্যাত দেয়াল বা ‘গ্রেট ওয়াল’ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কানেক্টিকাটের বাসিন্দা, এখন ৮ বছরের ডোরিয়ান ৪ বছর বয়স থেকেই ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছে। কিন্তু এখন সে চিকিৎসা নেয়া বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গত ১১ জানুয়ারি, ডোরিয়ানের জন্য তৈরি করা ফেসবুক পাতায় তার বাবা লিখেছে, ডোরিয়ান একরাতে জানায়, স্বর্গে যাওয়ার আগে তার শেষ ইচ্ছা, সে যেন গ্রেট ওয়ালের দেশ চীনে ‘বিখ্যাত’ হয়ে ওঠে।

এরপরই চীনের বাসিন্দা আর অন্য দেশের বাসিন্দাদেরও ডোরিয়ানের জন্য ছবি তুলে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয় ওই বার্তায়। যাতে ডোরিয়ান বুঝতে পারে যে, সে মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

চীনে ফেসবুক বন্ধ থাকা সত্ত্বেও, ডোরিয়ানের বাবা-মায়ের ওই আবেদন দেশটিতে ছড়িয়ে পড়েছে। এখন চীনের হাজার হাজার বাসিন্দা ছবি তুলে তার সঙ্গে শেয়ার করছে।

চীনের বাসিন্দারা মহাপ্রাচীর বা গ্রেট ওয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে শেয়ার করছে। নিজের বাসা বা রাস্তার সামনে দাঁড়িয়েও ছবি তুলছেন অনেকে। অনেক প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা একসঙ্গে ছবি তুলে তাকে পাঠাচ্ছে।

চীন ছাড়াও অন্যান্য দেশের বাসিন্দারাও ছবি তুলে তাকে পাঠাচ্ছে।

এসব ছবিতে #D-STRONG বা ডোরিয়ানের জন্য শক্তি সূচক ট্যাগ যোগ করা হচ্ছে, যাতে ডোরিয়ান সহজেই ছবিগুলো দেখতে পারে। সূত্র : বিবিসি।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা