বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমার থেকে ফিরছে ১২৫ বাংলাদেশী

news-image

মিয়ানমার সীমান্তে বঙ্গোপসাগর থেকে উদ্ধার হওয়া ১২৫ বাংলাদেশীকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। আজ সকাল ১০টার দিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের জিরো পয়েন্টের বিপরীতে এক পতাকা বৈঠকে তাদের গ্রহণ করবে বিজিবি। এ উপলক্ষে মিয়ানমারের ঢেঁকিবনিয়ায় ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনাল  রেজিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে বিজিবির এক পতাকা  বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান বিজিবি কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এম আনিসুর রহমান । জানা গেছে, ফেরত আসার অপেক্ষায় থাকা ১২৫ জন ১৪টি জেলার বাসিন্দা। তবে  বেশিরভাগের বাড়ি কক্সবাজারে। এদের মধ্যে ২০-২৫ জন শিশু-কিশোরও রয়েছে। জেলাগুলো হলো কক্সবাজার, বান্দরবান,  ফেনী,  ভোলা, চাঁদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও মেহেরপুর। উল্লেখ্য, গত ২১শে মে মিয়ানমারের জলসীমা থেকে সাগরে ভাসমান ২০৮ জন এবং ২৯শে মে আরও ৭২৭ জন অভিবাসন প্রত্যাশীকে উদ্ধার করে  দেশটির নৌ-বাহিনী। ইতিমধ্যে ৮ জুন, ১৯ জুন, ২২ জুলাই ও ১০ অগাস্ট চার দফায় ৫০১ জনকে দেশে ফেরত আনা হয়।


মিয়ানমারের জলসীমায় উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশি হিসেবে সনাক্ত আরও ১২৫ অভিবাসন প্রত্যাশীকে ফেরত আনা হচ্ছে মঙ্গলবার। জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিজিবির কক্সবাজার ১৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রবিউল ইসলাম জানান, তার নেতৃত্বে বিজিবি, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, ইমিগ্রেশন বিভাগের প্রতিনিধির সমন্বয়ে ১৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার সকালে পতাকা বৈঠকে অংশগ্রহণ করবে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ন্যাশনাল প্রোগাম অফিসার আসিফ মুনীর জানান, বাংলাদেশি হিসেবে সনাক্ত হওয়া ১২৫ জনকে দেশে ফেরত আনতে আইওএমর পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এসব বাংলাদেশি দেশের সীমান্তে প্রবেশের পর থেকে বাড়ি পৌঁছানো পর্যন্ত খাদ্য, চিকিৎসা ও যাতায়ত খরচসহ সব ধরনের মানবিক সহায়তা আইওএমর পক্ষ থেকে প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।

 “পঞ্চম দফায় দেশে ফেরত আসার অপেক্ষায় থাকা ১২৫ জন হলেও পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের কাছে হস্তান্তর করা তালিকায় নতুন করে ২/১ জন যোগ হতে পারে।” এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে যোগাযোগ চলছে বলে জানান আইওএম কর্মকর্তা আসিফ। আসিফ মুনীর জানান, কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমদ জানান, বাংলাদেশি হিসেবে সনাক্ত হওয়াদের পতাকা বৈঠক শেষে ঘুমধুম সীমান্ত থেকে বাসযোগে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নিয়ে আসা হবে। “ওখানে তাদের ইমিগ্রেশন সংশ্লিষ্ট কাজ শেষ করে তথ্য সংগ্রহের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এরপরই তাদের বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।” অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, ফেরত আসাদের তালিকায় থাকা ২০/২৫ জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু-কিশোরের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানতে আদালতের নির্দেশনার আবেদন জানানো হবে। মিয়ানমার প্রথম থেকে এদেরকে বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি জানিয়ে আসছিল।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা