,

মিয়ানমার থেকে ফিরছে ১২৫ বাংলাদেশী

news-image

মিয়ানমার সীমান্তে বঙ্গোপসাগর থেকে উদ্ধার হওয়া ১২৫ বাংলাদেশীকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। আজ সকাল ১০টার দিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের জিরো পয়েন্টের বিপরীতে এক পতাকা বৈঠকে তাদের গ্রহণ করবে বিজিবি। এ উপলক্ষে মিয়ানমারের ঢেঁকিবনিয়ায় ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনাল  রেজিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে বিজিবির এক পতাকা  বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান বিজিবি কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এম আনিসুর রহমান । জানা গেছে, ফেরত আসার অপেক্ষায় থাকা ১২৫ জন ১৪টি জেলার বাসিন্দা। তবে  বেশিরভাগের বাড়ি কক্সবাজারে। এদের মধ্যে ২০-২৫ জন শিশু-কিশোরও রয়েছে। জেলাগুলো হলো কক্সবাজার, বান্দরবান,  ফেনী,  ভোলা, চাঁদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও মেহেরপুর। উল্লেখ্য, গত ২১শে মে মিয়ানমারের জলসীমা থেকে সাগরে ভাসমান ২০৮ জন এবং ২৯শে মে আরও ৭২৭ জন অভিবাসন প্রত্যাশীকে উদ্ধার করে  দেশটির নৌ-বাহিনী। ইতিমধ্যে ৮ জুন, ১৯ জুন, ২২ জুলাই ও ১০ অগাস্ট চার দফায় ৫০১ জনকে দেশে ফেরত আনা হয়।


মিয়ানমারের জলসীমায় উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশি হিসেবে সনাক্ত আরও ১২৫ অভিবাসন প্রত্যাশীকে ফেরত আনা হচ্ছে মঙ্গলবার। জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিজিবির কক্সবাজার ১৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রবিউল ইসলাম জানান, তার নেতৃত্বে বিজিবি, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, ইমিগ্রেশন বিভাগের প্রতিনিধির সমন্বয়ে ১৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার সকালে পতাকা বৈঠকে অংশগ্রহণ করবে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ন্যাশনাল প্রোগাম অফিসার আসিফ মুনীর জানান, বাংলাদেশি হিসেবে সনাক্ত হওয়া ১২৫ জনকে দেশে ফেরত আনতে আইওএমর পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এসব বাংলাদেশি দেশের সীমান্তে প্রবেশের পর থেকে বাড়ি পৌঁছানো পর্যন্ত খাদ্য, চিকিৎসা ও যাতায়ত খরচসহ সব ধরনের মানবিক সহায়তা আইওএমর পক্ষ থেকে প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।

 “পঞ্চম দফায় দেশে ফেরত আসার অপেক্ষায় থাকা ১২৫ জন হলেও পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের কাছে হস্তান্তর করা তালিকায় নতুন করে ২/১ জন যোগ হতে পারে।” এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে যোগাযোগ চলছে বলে জানান আইওএম কর্মকর্তা আসিফ। আসিফ মুনীর জানান, কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমদ জানান, বাংলাদেশি হিসেবে সনাক্ত হওয়াদের পতাকা বৈঠক শেষে ঘুমধুম সীমান্ত থেকে বাসযোগে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নিয়ে আসা হবে। “ওখানে তাদের ইমিগ্রেশন সংশ্লিষ্ট কাজ শেষ করে তথ্য সংগ্রহের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এরপরই তাদের বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।” অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, ফেরত আসাদের তালিকায় থাকা ২০/২৫ জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু-কিশোরের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানতে আদালতের নির্দেশনার আবেদন জানানো হবে। মিয়ানমার প্রথম থেকে এদেরকে বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি জানিয়ে আসছিল।

এ জাতীয় আরও খবর

মোহাম্মদপুর গৃহায়ণ প্রকল্পে অনিয়ম, ফ্ল্যাট বরাদ্দের তথ্য উন্মোচন

৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না ঢাকার যেসব এলাকায়

এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হলেন খোন্দকার মোরতাজুল করিম

সংকট সমাধানে দরকার রাজনৈতিক উদ্যোগ

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে: পাকিস্তান

ম্যারাডোনার মামলায় চিকিৎসা পরীক্ষার ফল নিয়ে ভুল স্বীকার

ইরানের রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যমে ট্রাম্পপুত্র ব্যারনকে হত্যার হুমকি

সংসদ অধিবেশন ঘিরে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন জনসমর্থন কমেছে, রেকর্ড নিম্নে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা

বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে ইউএনডিপি

দেশে সারের সংকট নেই, পর্যাপ্ত মজুদ আছে