,

বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টের পর ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ

news-image

অনলাইন ডেস্ক : আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচিতে নামছে আফগানিস্তান। তিন সংস্করণে সিরিজগুলো অনুষ্ঠিত হলেও এখনো ম্যাচগুলোর নির্দিষ্ট ভেন্যু ঘোষণা করেনি আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।

বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট দিয়ে শুরু হবে আফগানিস্তানের এই ব্যস্ত মৌসুম। ম্যাচটি ৯ থেকে ১৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ৩ অক্টোবর জাপানে এশিয়ান গেমসের টি-টোয়েন্টি ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। আফগানিস্তান ওই ম্যাচে খেললে তার পরপরই বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে নামতে হবে দলটিকে।

টেস্টের পর ১৭ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে তিন দলের ওয়ানডে সিরিজ। এতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে একে অপরের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে। লিগ পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল ২৩ অক্টোবর ফাইনালে মুখোমুখি হবে।

এরপর ২৭ অক্টোবর থেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান। ম্যাচগুলো হবে ২৭, ২৯ অক্টোবর ও ১ নভেম্বর।

টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজেও মাঠে নামবে আফগানরা। প্রথম টেস্ট ৫ থেকে ৯ নভেম্বর এবং দ্বিতীয়টি ১৩ থেকে ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

চলতি বছরে ভারতের বিপক্ষে একটি টেস্ট ইতোমধ্যে খেলেছে আফগানিস্তান। বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নির্ধারিত আরও তিনটি টেস্ট খেললে ২০২৬ সালে তাদের মোট টেস্টের সংখ্যা দাঁড়াবে চারটিতে, যা এক বছরে আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ টেস্ট খেলার রেকর্ড হবে।

বাংলাদেশের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত দুটি টেস্ট খেলেছে আফগানিস্তান। এর মধ্যে একটি ম্যাচে জয় এবং অন্যটিতে পরাজয় রয়েছে তাদের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ টেস্টে আফগানিস্তানের জয় দুটি, হার দুটি এবং একটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।

আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নাসিব খান বলেন, জাতীয় দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক সূচি নিশ্চিত করতে পেরে তারা সন্তুষ্ট। বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বিভিন্ন সংস্করণে খেলার সুযোগ খেলোয়াড়দের উচ্চমানের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা দেবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় দলকে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ত রাখার বিষয়ে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পর্কের প্রশংসা করে সিরিজ আয়োজনের সহযোগিতার জন্য দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।