হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে বলেন, আবহা, নাজরান ও জিজান এলাকায় আরামকোর বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। খামিস মুশাইত এলাকার একটি বিমানঘাঁটিও হামলার আওতায় ছিল বলে দাবি করেন তিনি।
ইয়াহিয়া সারির ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
এদিকে সৌদি কর্তৃপক্ষও দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনায় হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানায়, হামলার পর কয়েকটি স্থাপনায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং এতে বেশ কয়েকজন আহত হন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণ ও জরুরি সেবার কর্মীরা। আগুন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজও শুরু হয়। হামলার প্রভাবে কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনার কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলার পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। স্থাপনা ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নির্ধারিত পরিচালন পরিকল্পনা অনুযায়ী কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনার পর হুথিদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। তবে আরামকোর কোন কোন স্থাপনা কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশটির জ্বালানি উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।