,

বর্ষবরণে যোগ দিতে মেট্রোরেলে স্বস্তির যাত্রা

news-image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানিয়া আকতারের বাসা রাজধানীর মিরপুরে। বাংলা নববর্ষবরণের জন্য প্রতি বছর চেষ্টা করেন নিজ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থাকার। অন্যান্যবার যানজটসহ নানা কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তবে এবার তাঁর জন্য স্বস্তি হয়ে এসেছে মেট্রোরেল।

তানিয়া আকতার রোববার সমকালকে বলছিলেন, ‘মেট্রোরেল থাকায় আজ অনেক বেশি মানুষ উৎসবে অংশ নিতে পারছেন। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবে (এবার) স্বস্তির উপাদান ছিল মেট্রো।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে যে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়, এতে প্রথমবারের মতো অংশ নিতে এসেছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সজীব আহমেদ। তিনিও রোববার সকালে আসেন মেট্রোরেলে চেপে।

শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা বলছেন, মেট্রোরেলের কারণে অন্যবারের তুলনায় বেশি মানুষ এসেছেন। তাদের কথার সত্যতা মেলে রোববার সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত মেট্রোরেলের শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন ঘুরে। দুই স্টেশনেই নতুন বৈশাখী পোশাক পরে ছবি তোলার উৎসবে মেতে ছিলেন নানা বয়সী নারী-পুরুষ ও শিশুরা।

প্রতি বছর পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে শাহবাগ, টিএসসি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সাংস্কৃতিক-সামাজিক সংগঠনগুলো। এসব আয়োজনের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে থাকে রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ ও চারুকলা অনুষদ থেকে বের হওয়া মঙ্গল শোভাযাত্রা। এ ছাড়া অন্যান্য অনুষ্ঠানেও ব্যাপক মানুষের সমাগম ঘটে। উৎসবমুখর পরিবেশে হাজারো জনতা আনন্দ উপভোগ করে।

ঈদের দিন ও ঈদের পরদিন মোট দুই দিন রাজধানীতে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ ছিল। শনিবার পুনরায় চালু হওয়ার পর ঈদ আনন্দে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ পায় রাজধানীবাসী। যার সঙ্গে বাড়তি মাত্রা যোগ করে পহেলা বৈশাখ।

এবার মেট্রোরেলের সুবিধা নিয়ে ঢাকার নানা এলাকার মানুষ সহজেই পৌঁছে গেছেন রমনা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার বৈশাখী আয়োজনে। শাহবাগ ও টিএসসির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, বিপুলসংখ্যক মানুষ পরিবারের সদস্য ও বন্ধুবান্ধব নিয়ে আসছেন। বৈশাখী উৎসবের মূল আয়োজনস্থলের কাছে দুটি স্টেশন থাকায় অল্প সময়ে তারা উৎসবে অংশ নিতে পারছেন। এতে উৎফুল্ল ছিলেন তারা।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সজীব আহমেদ যেমন বললেন, মেট্রোরেল না থাকলে হয়তো এবারও তাঁর মঙ্গল শোভাযাত্রায় আসা হতো না। বাইরে তীব্র গরম সত্ত্বেও মেট্রোরেলের কারণেই বিপুলসংখ্যক মানুষ এবার বৈশাখের উৎসবে শামিল হতে পেরেছেন বলেও মনে করেন তিনি।

উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকার গৃহবধূ বিদিশা গাইনও এদিন এসেছিলেন বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে। তিনিও স্বস্তির জন্য বেছে নেন মেট্রোরেলকে। বিদিশা বলেন, ‘শাহবাগ এলাকার আগেই গাড়ি বন্ধ থাকে। যে কারণে অন্যবার গাড়ি অনেক পথ হেঁটে যেতে হতো। এবার সরাসরি শাহবাগ (স্টেশন) নেমে শোভাযাত্রায় মাঝখানে প্রবেশ করেছি।’

এ জাতীয় আরও খবর

মাদক প্রতিরোধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জেলা প্রশাসকের

প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুলে ৮ শিক্ষক নিয়োগ

নির্বাচন সামনে রেখে ‘ক্লিনহার্ট’ অভিযান নয়, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার মোবাইল ল্যাব পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনের জানাজা সম্পন্ন

এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

চীনের ঋণ কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ

নবীনগরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আইভীর স্লোগানের পর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩

উত্তরায় শ্রমিকদের অবরোধ, বিমানবন্দর সড়কে যানজট

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, কাজ করছে ২০ ইউনিট