শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপাড়া খনিতে পাথর উত্তোলনে অনিশ্চয়তা

news-image

নিউজ ডেস্ক : মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি থেকে পাথর উত্তোলনে ফের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কঠিন শিলা প্রকল্পে পাথর উৎপাদন ও উন্নয়নকাজে প্রয়োজনীয় বিস্ফোরক দ্রব্যের (অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট) আমদানির অভাবে এ অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা যায়, গত ১২ মার্চ হঠাৎ করে মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানির পাথর উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় দুই সপ্তাহ পর ২৮ মার্চ থেকে আবার স্বল্প পরিসরে পাথর উত্তোলন শুরু হয়। তবে এখন পর্যাপ্ত বিস্ফোরক আমদানির নিশ্চয়তা তৈরি না হওয়ায় আবার পাথর উত্তোলন বন্ধ হতে পারে বলে মধ্যপাড়া গ্রানাইট কোম্পানির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা আমাদের সময়কে বলেন, বিস্ফোরকদ্রব্য সংকটের কারণে গত ১২ মার্চ থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (এমজিএমসিএল) পাথর উত্তোলন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে খনি কর্তৃপক্ষ। পরে নানা প্রচেষ্টায় আবার সেটা ২৮ মার্চ থেকে স্বল্প পরিসরে উত্তোলন শুরু করে। এখন আবার বিস্ফোরক সংকটে খনি থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ওই কর্মকর্তা বলেন, মধ্যপাড়া খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবু দাউদ মুহম্মদ ফরিদুজ্জামান একজন অদক্ষ লোক। তার অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বশীল আচরণের কারণেই বারবার রাষ্ট্রীয় একমাত্র পাথর উত্তোলন কোম্পানিটি হোঁচট খাচ্ছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, আবু দাউদ সব সময় চেষ্টা করে একটি কোম্পানির মাধ্যমে বিস্ফোরক দ্রব্যের (অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট) আমদানি করার। পেট্রোবাংলা থেকে বারবার তাকে বলা হয়ে একাধিক কোম্পানির কাছ থেকে আবেদন নিয়ে একটি শর্টলিস্ট তৈরি করতে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে তিনি নানা টালবাহানা করে একটি কোম্পানির মাধ্যমেই বিস্ফোরক দ্রব্যের (অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট) আমদানির চেষ্টা করছেন। ফলে মধ্যপাড়া গ্রাইনাইট কোম্পানির পাথর উত্তোলনে বারবার হোঁচট খাওয়ার অবস্থা তৈরি হয়।

সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকালে মধ্যপাড়া গ্রাইনাইট কোম্পানির বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. নাজমুল

আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বোর্ডসভায় মূল আলোচনা ছিল বিস্ফোরক আমদানির বিষয়টি। সেখানেও এমডির একটি কোম্পানিকে দিয়েই বিস্ফোরক আমদানির চেষ্টাকে বোর্ডসভার অন্য কর্মকর্তারা ভালোভাবে নেয়নি। ফলে একাধিক কোম্পানির কাছ থেকে আবেদন নেওয়ার চেষ্টা করতে তাকে বলা হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বোর্ডসভায় যুক্ত থাকা এক কর্মকর্তা আমাদের সময়কে বলেন, এমডির বারবার চেষ্টা ছিল একটি বিশেষ কোম্পানির মাধমেই বিস্ফোরক আমদানির প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা।

এ বিষয়ে কথা বলতে মধ্যপাড়া গ্রানাইট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু দাউদ মুহম্মদ ফরিদুজ্জামানকে ফোন করলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। ব্যস্ত আছি বলে ফোন কেটে দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১২ মার্চ যখন পাথর উত্তোলন বন্ধ হয় তখন বলা হয়েছিল করোনা পরিস্থিতি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সময়মতো বিস্ফোরকদ্রব্য আমদানি করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিস্ফোরকদ্রব্যের সংকট দেখা দেয়। পরে পাথর উত্তোলন বন্ধ রেখে শ্রমিকদের সাময়িক ছুটিতে পাঠিয়েছে খনির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)। যদিও একে খনি কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালি বলছে পেট্রোবাংলার একাধিক কর্মকর্তা। তারা বলছে, খনি কর্তৃপক্ষের হিসাব থাকা উচিত কখন বিস্ফোরক শেষ হবে। কখন লাগবে। এগুলো তো আর মন্ত্রণালয়ের হিসাবে থাকার কথা না।

 

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা