বন্ধ রাষ্ট্রীয় শিল্পের সম্পদ কাজে লাগাতে নীতিমালা
অনলাইন ডেস্ক : রুগ্ন, অকার্যকর ও বন্ধ রাষ্ট্রীয় শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং এসব প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমি-স্থাপনা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের আওতায় আনতে নতুন নীতিমালার খসড়া তৈরি করেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ।
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো, শিল্প উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে খসড়া নীতিমালার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত চেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
‘সরকারি শিল্প বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা ইহাদের অব্যবহৃত জমি বা স্থাপনা হস্তান্তর, শেয়ার ও স্বত্ব হস্তান্তর বা কৌশলগত বিক্রয় সংক্রান্ত নীতিমালা’ শিরোনামে খসড়াটি ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬-এর ৪৮ ধারার ক্ষমতাবলে প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত নীতিমালায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সম্পদের যাচাই-বাছাই এবং মূল্যায়ন, লেনদেনের উপযুক্ত কাঠামো নির্ধারণ, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী খোঁজা এবং স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগকারী বাছাইয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি স্বার্থ সুরক্ষা, সম্পদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং লেনদেনের পরবর্তী বাস্তবায়ন ও তদারকির বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, খসড়া প্রণয়নের অংশ হিসেবে গত ১২ জুলাই সরকারি ও বেসরকারি খাতের সংশ্লিষ্টদের নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ১৮ আগস্ট শিল্প মন্ত্রণালয় বিভিন্ন অংশীজনের কাছ থেকে মতামত আহ্বান করে। সেসব মতামত পর্যালোচনা করে যৌক্তিক ও প্রযোজ্য বিষয়গুলো খসড়ায় যুক্ত করা হয়েছে।
নীতিমালাটিকে আরও কার্যকর, বাস্তবসম্মত, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়- বিভাগ, সরকারি দপ্তর ও সংস্থা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও শিল্প সংগঠন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পেশাজীবী ও বিশেষজ্ঞদের মতামত দিতে বলা হয়েছে।
আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী বাংলা ভাষায় মতামত পাঠাতে হবে। স্বাক্ষরিত মতামতের স্ক্যান কপি এবং সম্পাদনাযোগ্য ওয়ার্ড ফাইল ই-মেইলে পাঠানোর কথা জানানো হয়েছে। মতামত পাঠানোর সময় ই-মেইলের বিষয় হিসেবে ‘Comments on Strategic_Divestiture Policy’ উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।











