জমি দখলের চেষ্টা ও বাড়িতে হামলায় গ্রেপ্তার ১৩
অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবরে পৃথক দুটি ঘটনায় ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এর মধ্যে মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আটজন এবং আদাবরের শ্যামলী হাউজিংয়ে একটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় ডিএমপি।
পুলিশ জানায়, শনিবার সকালে মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান বেড়িবাঁধসংলগ্ন টুইন টাওয়ারের দ্বিতীয় তলার একটি অফিসে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে একদল ব্যক্তি প্রবেশ করে। তারা অফিসের মালামাল ভাঙচুর করে প্রায় চার লাখ টাকার ক্ষতি করে। এ সময় নগদ ১৫ লাখ টাকা, দুটি ল্যাপটপ, একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার, দুটি এসি, সিসিটিভি ও ডিভিআরসহ বিভিন্ন সামগ্রী ও গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে লিমন, মনোয়ার হোসেন সাদ্দাম, সাদ্দাম হোসেন, আবুল বাশার, সাইফুল ইসলাম, জীবন মিয়া, আসাদুল হক ও হারুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে আগে ছিনতাই ও মারামারির মামলাও রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
অন্যদিকে আদাবরের শ্যামলী হাউজিং এলাকায় একটি বাড়িতে হামলা ও জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টার অভিযোগে আবুল কালাম আজাদ, রাসেল, আতিকুল, রাসেল পিয়াদা ও লিয়নকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য, শনিবার ভোরে খুরশিদ আলম খানের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন মুখোশধারী ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে শ্যামলী হাউজিংয়ের ৬ নম্বর সড়কের ৪১ ও ৪২ নম্বর প্লটের ওপর নির্মিত ভবনটিতে হামলা চালায়। তারা চাপাতি দিয়ে প্রধান ফটক কুপিয়ে দরজা-জানালা ভাঙচুর করে এবং ভবনে ঢোকার চেষ্টা করে।
ঘটনায় মামলা হওয়ার পর তদন্তে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের শনাক্ত করে পুলিশ। রোববার রাতে আবুল কালাম আজাদকে এবং সোমবার সকালে অন্য চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি সামুরাই উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, ওই বাড়ির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও চলমান। দুই মামলায় গ্রেপ্তার ১৩ জনকেই আদালতে পাঠানো হয়েছে।











