,

পুলিশের লাঠিচার্জের পর ফের সড়কে শিক্ষার্থীরা, শুয়ে পড়লেন রাস্তায়

news-image

অনলাইন ডেস্ক : ফের সড়ক অবরোধ ইউআইইউ শিক্ষার্থীদের। ইনসেটে-পুলিশের লাঠিচার্জের পর রাস্তায় শুয়ে পড়েন কয়েকজন শিক্ষার্থী। সংগৃহীত ছবি

পুলিশের লাঠিচার্জের পর আবারও রাজধানীর নতুনবাজার সড়ক অবরোধ করেছেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) শিক্ষার্থীরা। এবার ক্ষুব্ধ হয়ে তারা রাস্তায় শুয়ে পড়েছেন। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারসহ সব দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত সড়ক অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

অবৈধ বহিষ্কার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের স্বেচ্ছাচারী আচরণের প্রতিবাদে আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নতুনবাজার মোড়ে অবস্থান নেন ইউআইইউর শিক্ষার্থীরা।এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ভোগান্তিতে পড়েন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।

তবে বেলা পৌনে ১১টার দিকে লাঠিচার্জে শিক্ষার্থীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ। তবে কিছু সময় পর তারা আবারও সংগঠিত হয়ে পুনরায় সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থীকে রাস্তায় শুয়ে পড়তে দেখা যায়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পুলিশ তাদের ওপর হামলা করেছে। তারপরও তারা রাস্তা ছাড়েননি। পুলিশের মারধরে তাদের তিনজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। যতক্ষণ দাবি না মানা হবে ততক্ষণ তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্লোগানে স্লোগানে তাদের দাবি জানাচ্ছেন। তারা ‘হয় বহিষ্কার বাদ যাবে, না হয় আমার লাশ যাবে’, ‘প্রত্যাহার বহিষ্কার, তারপর হবে সংস্কার’, ‘পা চাটলে পুরস্কার, না চাটলে বহিষ্কার’, ‘বহিষ্কার প্রত্যাহার, করতে হবে করতে হবে’, ‘অথরিটি স্বৈরাচার, এবার তোরা গদি ছাড়’, ‘প্রাইভেটখাতে শিক্ষাকর, করতে হবে প্রত্যাহার’, ‘১ ২ ৩ ৪, প্রাইভেট সংস্কার’, ‘প্রাইভেট সব মাঠে থাক, সিন্ডিকেট নিপাত যাক’ স্লোগান দিচ্ছেন।

এ ব্যাপারে ডিএমপির ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান বলেন, ‘প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে রাস্তা বন্ধ। এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের ভোগান্তি দূর করতে আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করেছি। তারা সড়ক ছাড়তে নারাজ। এজন্য তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে তারা পুনরায় রাস্তা ব্লকড করেছেন। আমরা ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি।’

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো আলোচনা ছাড়াই একতরফাভাবে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে। সেইসঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই তারা শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করে আসছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি চলবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৬ ও ২৭ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের অসন্তোষের জেরে উপাচার্যসহ ১১ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদত্যাগ করেন। এরপর ২৮ এপ্রিল ইউআইইউ কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য সব শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে।

যদিও ২০ মে থেকে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ তা প্রত্যাখ্যান করে ক্যাম্পাসে সরাসরি ক্লাস ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতের দাবি করে আসছেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের যৌক্তিক ১৩ দফা দাবি দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষা করে আসছে। উল্টো আন্দোলন দমন করতে বহিষ্কার করা হচ্ছে। গত ২ জুন ৪১ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে ২৪ জনকে স্থায়ী ও ১৬ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। বাকি একজনকে সতর্কবার্তা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

 

এ জাতীয় আরও খবর

মাদক প্রতিরোধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জেলা প্রশাসকের

প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুলে ৮ শিক্ষক নিয়োগ

নির্বাচন সামনে রেখে ‘ক্লিনহার্ট’ অভিযান নয়, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার মোবাইল ল্যাব পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনের জানাজা সম্পন্ন

এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

চীনের ঋণ কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ

নবীনগরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আইভীর স্লোগানের পর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩

উত্তরায় শ্রমিকদের অবরোধ, বিমানবন্দর সড়কে যানজট

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, কাজ করছে ২০ ইউনিট