,

কারখানা বন্ধ করার কথাই ভাবছেন ট্যানারি মালিকদের অনেকে

news-image

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘আদালতের রায় শিরোধার্য। এ রায় মেনে না নেয়ার তো কোনো সুযোগ নেই। কাজেই আমাদের সামনে কারখানা বন্ধ করে বাড়ি চলে যাওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।’ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ হয়ে যাওয়ার সংবাদে এভাবেই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন একজন ট্যানারি মালিক। তিনি বলেন, আমরা তো সাভারে যেতে প্রস্তুত আছি। কিন্তু সরকার এখন পর্যন্ত আমাদের বরাদ্দকৃত জমির দলিল হস্তান্তর করেনি। হাজারীবাগে আমাদের ব্যাংক লোন আছে। সাভারের জমির দলিল পেলে আমরা বন্ধক রেখে ব্যাংক থেকে টাকা নিতে পারতাম। এটা আমাদের জন্য বড় সাপোর্ট হতো।
আদালতে আপিল খারিজ হওয়ার পর ট্যানারি শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট মালিকদের দুইটি সংগঠন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন গতকাল বিকেলে যৌথ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। সেখানে উদ্যোক্তারা চরম হতাশা ব্যক্ত করেন এবং অত্যন্ত ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বক্তাদের অনেকেই কারখানা বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দেন। এ ছাড়া শিল্প সচিবের সাথেও বৈঠক করেন ক্ষুব্ধ ট্যানারি মালিকেরা।
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহিন আহমেদ এ সময় গণমাধ্যমকে বলেন, কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে। মালিকেরা শ্রমিকদের বেতন দিতে পারবেন না। আর বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএলএলএফইএ) চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা দুঃখভারাক্রান্ত। তবে এ রায় মেনে নেয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। তবে এর ফলে চামড়া শিল্পের উৎপাদন ও রফতানি বন্ধ হয়ে যাবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
ক্ষুব্ধ ট্যানারি মালিকদের দাবি, সাভারে এখন পর্যন্ত ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট চালু হয়নি। একটি কাঁচা চামড়ার ৮০ ভাগই ওয়েস্ট। এই ওয়েস্টের আবার ৮০ ভাগই সলিড ওয়েস্ট। সরকার সিটিপি করে দেয়ার কথা বললেও এখন পর্যন্ত সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের কোনো ব্যবস্থা করেনি। ওয়াটার ট্রিটমেন্টের চারটি ইউনিটের একটি ইউনিট অপারেশনে গেলেও যে ৩৫টি ট্যানারি সেখানে ওয়েটব্লুর কাজ শুরু করেছে তাই সামলাতে পারছে না। এরই মধ্যে চামড়া শিল্প নগরীতে পানি জমতে শুরু করেছে। সেই পানি ধলেশ্বরী নদীতে পড়ে মাছ মারা যাওয়ায় এলাকাবাসী বিক্ষোভও করেছে। সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবস্থা না থাকায় দুর্গন্ধে এলাকার বাতাস বিষাক্ত হয়ে পড়েছে। ট্রিটমেন্ট প্লান্টের কোনো উদ্যোগ না নিয়েই সরকার তড়িঘড়ি শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
রাজধানীর হাজারীবাগে থাকা ট্যানারি কারখানাগুলো অবিলম্বে বন্ধ করতে এবং বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে ট্যানারি মালিকের করা এক আবেদন গতকাল রোববার খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে ওই আবেদন করা হয়। আদালতে প্রতি সম্মান জানিয়ে তারা এ রায় মেনে নিচ্ছেন বলেও জানান।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে