,

কোথায় এখন আশামনি?

news-image

ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় নিলয় হত্যা মামলার বাদী ও তার কথিত স্ত্রী আশামণির খোঁজ পাচ্ছে না পুলিশ। শনিবার দুপুরের পর থেকে আশামণির অবস্থান সম্পর্কে পুলিশের কাছে কোনো তথ্য নেই। আশামণির পক্ষ থেকেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হচ্ছে না। বাদীর কাছ থেকে তথ্যগত সহায়তা না পেয়ে তদন্ত কার্যক্রমের শুরুতেই হোঁচট খাচ্ছে ডিবি পুলিশ। তবে এর পরও আনসারউল্লাহ বাংলা টিমের প্রতি সন্দেহের দৃষ্টি রেখে হত্যাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এক কর্মকর্তা বলেন, ব্লগার নিলয় হত্যাকা-ের ঘটনার দিনই (শুক্রবার রাতে) স্ত্রী দাবিদার আশামণি বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় একটি হত্যামামলা করেন। এরপর শনিবার দুপুরের দিকে আশামণি নিজের নিরাপত্তার প্রশ্নে গোড়ানের বাসা ছাড়ার সময় গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, তার এক আত্মীয়ের বাসায় উঠবেন। কিন্তু ওই বাসা ত্যাগের পর থেকে তার মোবাইল ফোন সংযোগ বন্ধ পাচ্ছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, ওইদিন আশামণি একজন আবৃত্তিকারের বাসায় ওঠেন বলে গোপন সূত্রে জানা গেছে। কিন্তু শনিবার থেকে তার অবস্থান নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
সূত্র আরও জানায়, নিহত নিলয় ও আশামণির ঘনিষ্ঠজন হিসেবে যে কজন ব্লগার খুব পরিচিত তারা একভাবে আড়ালে রয়েছেন। অনেকেরই মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। এমনকী নিলয় হত্যাকা-ের পর সামাজিক মাধ্যমে আশামণি ও নিলয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় থাকা বেশ কয়েক ব্লগারের ছবি প্রকাশ পায়। ঘনিষ্ঠ ওইসব ব্লগারেরও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ বলছে, নিলয়ের স্ত্রী আশামণি  এবং দুজনের ঘনিষ্ঠ ব্লগারদের কাছ থেকে তথ্য পেলে তদন্তে সহায়ক হতো।
এদিকে নিলয়ের ভাড়া বাসার ঘটনাস্থল খিলগাঁওয়ের গোড়ান এলাকায় সিসিটিভি ফুটেজের সন্ধানে নেমেছে পুলিশ। তদন্তকারী ডিবির সহকারী কমিশনার ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম বুধবার বিকালে ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ জানায়, নিলয়ের বাসা থেকে বের হওয়ার জন্য রাস্তা বা গলিগুলোর কোনো দোকান, প্রতিষ্ঠান বা ফ্ল্যাট বাড়ির সামনে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) রয়েছে কি না তা খোঁজ করা হবে। হত্যার আগে-পরে ঘাতক বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আসা-যাওয়ার ছবি বা ফুটেজ থাকলে তা ডিবি পুলিশকে দিয়ে মামলার তদন্ত সহায়তা করতে স্থানীয়দের প্রতি পুলিশ অনুরোধ করেছে। এক্ষেত্রে তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, হত্যাকা-ের আগের দিনও ঘাতকরা ব্লগার নিলয়কে শাহবাগ থেকে অনুসরণ করে। নিলয় শাহবাগ থেকে বাসে করে দৈনিক বাংলা মোড় এবং সেখান থেকে খিলগাঁওয়ের টেম্পোতে ওঠেন। বাস ও টেম্পোতে নিজের পেছনে কেউ লেগে আছে মনে করে নিলয় টেম্পো থেকে দ্রুত শাহজাহানপুরে নেমে যান। হত্যাকা-ের পরপর আশামণিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ এসব তথ্য পেয়েছে।
শুক্রবার দুপুর সোয়া একটার দিকে পূর্ব গোড়ানের ভাড়া বাসায় হত্যা করা হয় নীলাদ্রিকে। গণজাগরণ মঞ্চের সক্রিয় কর্মী নিলয় ওই বাসাতেই স্ত্রী আশামণিকে নিয়ে বসবাস করতেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করে ঢাকায় একটি বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন নিলয়। ঘটনার রাতে আশামণি বাদী হয়ে ৪ অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা