নবীনগরে মাদ্রাসাছাত্রকে মারধর, হাসপাতালে ভর্তি, মাদ্রাসা শিক্ষক আটক
নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণনগর আশরাফুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় মো. আব্দুল্লাহ নামের ওই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক ইব্রাহিম মিয়াকে স্থানীয়রা পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত থাকার বিষয়কে কেন্দ্র করে মাদ্রাসার শিক্ষক ইব্রাহিম মিয়া ওই ছাত্রকে বেধরক মারধর করেন। আহত শিক্ষার্থী মো. আব্দুল্লাহ অভিযুক্ত শিক্ষকের আপন ভাগনে বলেও জানা গেছে।
ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুল্লাহকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
অভিভাবকরা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা বজায় রাখা প্রয়োজন। তবে কোনো শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে অমানবিকভাবে নির্যাতন করার সুযোগ নেই। একজন শিক্ষকের দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের শাসনের পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করা।
ঘটনার খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষক ইব্রাহিম মিয়াকে পুলিশের কাছে তুলে দিলে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি-তদন্ত) রাজিব কান্তি নাথ বলেন, “অভিযুক্ত শিক্ষক ইব্রাহিম মিয়াকে জনগণ পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। অভিযোগকারীদের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।”
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ইব্রাহিম মিয়ার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা আরও স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।











