প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের
অনলাইন ডেস্ক : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং গণআন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে নির্মিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার সকাল ৯টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি জাদুঘরের ফলক উন্মোচন করেন। উদ্বোধনের পর সুরা ফাতিহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন এবং সেখানে সংরক্ষিত আলোকচিত্র, দলিল, স্মারক ও বিভিন্ন নিদর্শন পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার মেয়ে জাইমা রহমান।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং আন্দোলনের বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনের দিন জাদুঘরটি শুধুমাত্র বিশেষ অতিথি ও জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে সাধারণ দর্শনার্থীরাও এটি পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন।
জাদুঘরে প্রবেশের জন্য অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভিন্ন পর্যায়ের আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য, শহীদদের ব্যবহৃত সামগ্রী, আন্দোলনের বিভিন্ন উপকরণ এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিয়ে সাজানো হয়েছে জাদুঘরটি। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রদর্শনীর মাধ্যমে সেই সময়ের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, বেদনা ও বিজয়ের ইতিহাস দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হবে।
ইতিহাস সংরক্ষণ, গবেষণা এবং নতুন প্রজন্মকে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যেই এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।











