অনলাইন ডেস্ক :আজ ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’। দিবসটি উপলক্ষে সারা দেশে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান।
দিবসের সূচনায় সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর উদ্বোধন করবেন। পাশাপাশি দেশের ৬৪টি জেলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের কর্মসূচি পালন করা হবে।
রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বেলা ১১টায় জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দেশের মানুষকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাণীতে বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। তিনি জাতীয় ঐক্য অটুট রাখার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন দেশে স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ বা উগ্রবাদের পুনরুত্থান না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
দিবসটি উপলক্ষে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে জুলাই আন্দোলনের আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, বিশেষ টেলিভিশন ও বেতার অনুষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হবে।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি জাদুঘর বিনা টিকিটে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে। পাশাপাশি শিশুদের জন্য বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্র উন্মুক্ত রাখা এবং সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, শিশু পরিবার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়েছে।