,

‘আরসা’ সন্ত্রাসীদের ধরিয়ে দিতে পোস্টার, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলি

news-image

উখিয়া প্রতিনিধি : কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি’র (আরসা) ২৮ সন্ত্রাসীকে ধরিয়ে দিতে ছবি সহকারে পোস্টার লাগানোর পর থেকে তোলপাড় শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল থেকে উখিয়ার কুতুপালং ও বালুখালীর বিভিন্ন ক্যাম্পে এ ধরনের পোস্টার দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সাধারণ রোহিঙ্গারা।

এদিকে, পোস্টার লাগানোর একদিন পার না হতেই আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ক্যাম্প ১৮ এর এইচ ৫৬ ব্লকে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

জানা গেছে, রোহিঙ্গা সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরসা কর্তৃক ২০-২৫ সদস্যদের একটি দল আকস্মিক প্রবেশ করে ১৫-২০ রাউন্ড গুলি করে পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ক‍্যাম্প-১৮ এর ব্লক মাঝি মোসতাক ও মাঝি ইমাম হোসেনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে ওই ক‍্যাম্পের ইসলামি মাহাজের মৌলভী রফিক ও কাদেরের ওপর হামলা করতে আসে সন্ত্রাসীরা।

এ বিষয়ে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ বলেন, ‘খবর পেয়ে ৮ এপিবিএন ময়নারঘোনা পুলিশ ক্যাম্পের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। এসব সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। কে বা কারা এসব পোস্টার লাগিয়েছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেনি ক্যাম্প প্রশাসন। তবে পোস্টারে যাদের ছবি ছাপানো হয়েছে তারা চিহ্নিত অপরাধী। পোস্টারগুলো তাদের ধরতে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।’

বিভিন্ন ক্যাম্প ঘুরে দেখা গেছে, পোস্টারে থাকা ২৮ জনের মধ্যে ২৫ জনের নাম নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন, আরসা প্রধান আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনী, হেদায়েত উল্লাহ ওরফে খালেদ, মৌলভী মোস্তাক, মৌলভী লাল মোহাম্মদ ওরফে বোরহান, নুর কামাল ওরফে সমি উদ্দিন, ইব্রাহীম, মৌলভী জাকারিয়া, কাউসার ওরফে সাবের, খায়রুল আমিন ওরফে ইব্রাহীম, আলী জোহর, হাফেজ ইউনুছ, সানাউল্লাহ, জুলাইয়ার, শফিক, নুর মাহমুদ, হাফেজ নুর মোহাম্মদ, আব্দুর রহমান, হাসান, জাহিদ হোসেন ওরফে লালু, মাস্টার আব্দুর রহিম, জান্নাত উল্লাহ, মোহাম্মদ সলিম, মাহামুদুর রহমান, মোহাম্মদ জুবাইয়ের, মোহাম্মদ আলম ওরফে মুসা।

নাম প্রকাশে একাধিক রোহিঙ্গা জানান, পোস্টারের ২৮ জনই চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

উখিয়ার জামতলী ক্যাম্পের মো. হাবিব বলেন, ‘পোস্টারে বার্মিজ ভাষায় লেখা হয়েছে ‘তারা সন্ত্রাসী। আসলেই তারা সন্ত্রাসী। তাদের কারণে সাধারণ রোহিঙ্গারা কোনোভাবে নিরাপদ নয়।’

পোস্টারে উল্লেখ করা হয়েছে যদি কোনো ক্যাম্পে তাদের দেখতে পায় তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অবহিত করুন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট পরবর্তী মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্পে আশ্রয় নেয় ১০ লাখের অধিক রোহিঙ্গা।

 

এ জাতীয় আরও খবর

হরমুজে মার্কিন সাবমেরিন আটকের দাবি ইরানের

বাঁধনের ওপর হামলাকারীদের বিচার চায় এনসিপি

গ্যাস সংকট দ্রুত কাটবে, বললেন রিজভী

ভর্তুকি নেই, নিম্নমানের খাবারে ভোগান্তি বেরোবি শিক্ষার্থীদের

পলিথিন বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীর যেসব এলাকায় ৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না

স্ত্রীর পরকীয়ার অভিযোগ, বিচারের আশায় স্বামী

ফ্যাসিস্টের থেকে মুক্তি মিললেও মূল্য দিতে হয়েছে অনেক: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদে সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

আশুলিয়ায় ট্রিপল হত্যার কারণ জানাল পিবিআই

তিন বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আদালত বর্জন আইনজীবীদের

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার শ্রমিক নেবে ওমান