শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন ভাইরাস : করোনার মত সংক্রামক, ইবোলার মত প্রাণঘাতী

news-image
বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ সংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন, রহস্যময় এক জীবাণু বয়ে আনতে পারে এমন এক রোগ যেটি বিপর্যস্ত করে তুলবে গোটা মানব সভ্যতা।  ভয়াবহ আকারে দ্রুত ছড়িয়ে নির্মূল করে দিতে পারে মানুষের বড় অংশকে। সম্প্রতি আফ্রিকা মহাদেশে কয়েকটি অজানা রোগ শনাক্ত হওয়ায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে-ডিজিজ এক্স।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞদের মতে, অজ্ঞাত জীবানুর আক্রমণে যে রোগ দেখা দেবে, তার ভয়াবহতা ছাড়িয়ে যাবে আগের সব কিছুকে। হুমকির মুখে পড়বে গোটা মানব জাতি। সেটাই ডিজিজ এক্স।  গেল বছরের শুরুতে যখন বিশ্বজুড়ে মহামারি করোনা আঘাত হানে, তখন শুরুতে ভাবা হয়েছিল, এটি সেই ভয়াবহ ‘ডিজিজ এক্স’। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই বোঝা যায়, এখনো শনাক্ত হয়নি রহস্যসময় সেই ব্যাধিটি।

তবে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা বিজ্ঞানীদের আবারো ভাবিয়ে তুলেছে। সম্প্রতি কঙ্গোতে অন্তত দুটি অঞ্চলে দেখা দেয় ইবোলার প্রকোপ। অন্তত ৭০ জন রোগী পাওয়া যায়। যাদের মধ্যে অন্তত দুজনের ইবোলার লক্ষণ থাকলেও, পরীক্ষায় মেলেনি ইবোলা ভাইরাসের উপস্থিতি। আর এ ঘটনাই সেই প্রশ্নকে সামনে এনেছে- সত্যিই কি এসে গেল ‘ডিজিজ এক্স’! গেল এক দশকে গণতান্ত্রিক কঙ্গোর ক্রান্তীয় বা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের গভীর জঙ্গল থেকে শ’ খানেক ভাইরাস পাওয়া গেছে।

জ্যঁ জ্যাক মিয়াম্বে, যিনি ১৯৭৬ সালে প্রাণঘাতী ভয়ঙ্কর ভাইরাস ইবোলা আবিস্কার করেন। বহু বছর ধরেই আফ্রিকার সংক্রামক ব্যাধিগুলো পর্যবেক্ষণ করছেন তিনি। কঙ্গোর খ্যাতনামা এই বিজ্ঞানীর মতে, এমন ভাইরাস আসতে যাচ্ছে যেটি করোনার মত ব্যাপক আকারে সংক্রামক, আবার ইবোলার মত দ্রুত প্রাণঘাতী।

ন্যাশনাল বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রধান জ্যঁ জ্যাক মিয়াম্বে বলেন, “একের পর এক জীবানু আসতেই থাকবে। যেগুলোর কোন কোনোটি বহু মানুষকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারে । এটা ঘটবেই, আর তা হবে সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত।”

জাতিসংঘের তথ্যমতে, প্রতিবছর কঙ্গো থেকে ৫০ লাখ টন বন্যপ্রাণীর মাংস বেচাকেনা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্যান্ত বন্যপ্রাণীই বেশিরভাগ ভাইরাসের উৎস। বিশ্বজুড়ে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের এই ব্যবসার কারণে ধ্বংস হচ্ছে একের পর এক বনের জীববৈচিত্র্য আর প্রাকৃতিক পরিবেশ।

এর বাইরে অবাধ শিল্পায়নের প্রয়োজনে নির্বিচারে বন ধ্বংস তো আছেই। তাই একের পর এক ভয়াবহ প্রাণঘাতী রোগজীবাণু দিয়ে মানবজাতির ওপর প্রতিশোধ নিচ্ছে পৃথিবী, এমনটা বলা যেতেই পারে ।

এ জাতীয় আরও খবর

গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, বিপাকে চালকরা

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করছেন

আলুর নাগেট তৈরির রেসিপি জেনে নিন

ভালোবাসা পেলাম, এবার তার যোগ্য হওয়ার পালা : ফারিয়া

অবশেষে অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক

ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ : শিক্ষা সচিবকে অপসারণ করল ভারত

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ

বাগেরহাটে খানজাহান আলী মিশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে সমবায় সমিতির উদ্যোগ