,

অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হবে না: প্রধানমন্ত্রী

news-image

অনলাইন ডেস্ক : অর্থের অভাবে দেশের কোনো নাগরিক যেন স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত না হন, এমন একটি কল্যাণমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের নতুন ৫০০ শয্যার ভবন উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসার জন্য যেন কাউকে বিদেশে যেতে না হয় এবং অর্থের সংকটে যেন কেউ চিকিৎসাবঞ্চিত না হন—এমন একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি জানান, খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লা জেলায় ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল আগামী অক্টোবর মাসে একযোগে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে উপজেলা হাসপাতালগুলোকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট প্রতিষ্ঠার কাজও শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে সরকার সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। শুধু স্লোগান নয়, দেশের মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসাসেবা দেশেই নিশ্চিত করার মতো একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

তবে অবকাঠামো ও সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন করেন। এ সময় হাসপাতাল প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ, মোনাজাত এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করেন। তিনি অপারেশন থিয়েটার ও আইসিইউ ঘুরে দেখার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা এবং রোগীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে খোঁজ নেন।

নতুন ৫০০ শয্যার ভবন চালুর ফলে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের মোট শয্যা সংখ্যা বেড়ে ১ হাজারে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে এত বড় নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল আর নেই।

এ জাতীয় আরও খবর