,

২৭ ঘণ্টা অপেক্ষা, তবুও পাম্পে মিলছে না গ্যাস

news-image

অনলাইন ডেস্ক :সিরাজগঞ্জ শহরের একমাত্র সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাসের তীব্র সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন সিএনজি, হাইয়েস ও বাসচালকরা। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও গ্যাস না পাওয়ায় অনেক চালক রাত কাটাচ্ছেন পাম্পের পাশে নিজেদের গাড়িতেই। এতে শহর ও আশপাশের সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংকটও দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার শহরের এ্যালবাট্রস এনার্জি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, গ্যাস নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের দীর্ঘ সারি। চালকদের কেউ ২৪ ঘণ্টা, কেউ ২৭ ঘণ্টা, আবার কেউ এর চেয়েও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করছেন।

এনায়েতপুর-বেলকুচি সড়কের সিএনজিচালক বেল্লাল হোসেন হৃদয় জানান, বুধবার সকাল ১১টার দিকে পাম্পে এসে সিরিয়াল দেওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করেও গ্যাস পাননি। পাম্প কর্তৃপক্ষ শুধু সরবরাহ এলে গ্যাস দেওয়া হবে বলে জানাচ্ছে।

রায়গঞ্জের ধানগড়া থেকে কাঠেরপুল রুটে চলাচলকারী সিএনজিচালক আমজাদ হোসেন দুল্লা বলেন, তিনি প্রায় ২৭ ঘণ্টা ধরে গ্যাসের অপেক্ষায় রয়েছেন। বাড়ি দূরে হওয়ায় রাতে গাড়ির মধ্যেই ঘুমিয়েছেন। তবে কখন গ্যাস পাবেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত নন।

চালকদের কয়েকজন জানান, সংকটের প্রতিবাদে আগের দিন তারা প্রায় ৩০ মিনিট সড়ক অবরোধ করেছিলেন। তাতেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি।

বাসচালক জহুরুল ইসলাম বলেন, গ্যাসের আশায় এসে তিনিও রাতে বাসের ভেতরেই ঘুমিয়েছেন। সকালেও পাম্পে গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যায়নি।

এ্যালবাট্রস এনার্জি লিমিটেডের ক্যাশ কাউন্টারে দায়িত্বে থাকা মো. পলাশ জানান, ১২ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে পাম্পে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানেই একই ধরনের সমস্যা চলছে বলে দাবি করেন তিনি। সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই গ্রাহকদের গ্যাস দেওয়া সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, খুব দ্রুত গ্যাস সংকটের সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।